২/১৮. অধ্যায়ঃ
দুই লজ্জাস্থানের স্পর্শে গোসল ওয়াজিব হওয়া
গোসল ওয়াজিব হওয়ার সহজ বিধান: ইবনু উমার (রাঃ)-এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৫
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ إِذَا جَاوَزَ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, (পুরুষের) লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করলে গোসল ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) বলতেন, যখন পুরুষের লজ্জাস্থান স্ত্রীলোকের লজ্জাস্থান অতিক্রম করে, তখন গোসল ওয়াজিব হয়। এখানে গোসল ফরজ হওয়ার কারণকে সহজ ভাষায় বলা হয়েছে। হাদিসটি পবিত্রতার বিষয়ে সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়। অনেক সময় মানুষ বীর্যপাত হয়েছে কি না—এই দিকেই বেশি চিন্তা করে। কিন্তু এই বর্ণনায় মূল বিষয় হিসেবে সহবাসের মিলনের কথা এসেছে। তাই জানাবত থেকে পবিত্র হওয়া, নামাযের আগে গোসল করা এবং শরীরের পবিত্রতা বজায় রাখা—এসব বিষয় এই হাদিসের সঙ্গে জড়িত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সহবাসের পর গোসল ওয়াজিব হওয়ার বিধান জানা দরকার।
- পবিত্রতা ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বড় মাসআলা জানা যায়।
- জানাবত অবস্থায় নামাযের আগে পবিত্র হওয়া প্রয়োজন।
