২৪/২. অধ্যায়ঃ
প্রয়োজনবশত যে প্রকারের যবেহ বৈধ
ধারাল কাঠ দিয়ে যবেহ করা পশু খাওয়ার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৩৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৩৩
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَجُلًا مِنْ الْأَنْصَارِ مِنْ بَنِي حَارِثَةَ كَانَ يَرْعَى لِقْحَةً لَهُ بِأُحُدٍ فَأَصَابَهَا الْمَوْتُ فَذَكَّاهَا بِشِظَاظٍ فَسُئِلَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ لَيْسَ بِهَا بَأْسٌ فَكُلُوْهَا.
আতা ইবনু ইয়াসার (রা) হতে বর্ণিতঃ
বনূ হারিসা গোত্রের আনসারী জনৈক ব্যক্তি উহুদের নিকট তার দুধালো উষ্ট্রী চরাচ্ছিল। উষ্ট্রীটি মৃত্যুমুখী হলে তিনি একটি ধারাল লাকড়ি দ্বারা উষ্ট্রীটি যবেহ করেন। অতঃপর এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এতে কোন দোষ নেই। তুমি তা খেতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বনূ হারিসা গোত্রের একজন আনসারীর ঘটনা এসেছে। তিনি উহুদের কাছে তাঁর দুধালো উষ্ট্রী চরাচ্ছিলেন। উষ্ট্রীটি মৃত্যুর মুখে পড়লে তিনি একটি ধারাল লাকড়ি দিয়ে সেটি যবেহ করেন। পরে বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এতে কোনো দোষ নেই; তুমি তা খেতে পার। হাদিসটির মূল বিষয় হলো প্রয়োজনের সময় ধারাল জিনিস দিয়ে যবেহ করা। এখানে যবেহের কাজটি পশু মারা যাওয়ার আগে করা হয়েছে এবং ধারাল লাকড়ি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই “ধারাল কাঠ দিয়ে যবেহ” বিষয়ে এই হাদিস সহজ ও সরাসরি শিক্ষা দেয়। তবে হাদিসে শুধু এই নির্দিষ্ট ঘটনার কথা এসেছে, তাই অযথা বিস্তৃত দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মৃত্যুমুখী পশু মারা যাওয়ার আগে যবেহ করলে তা খাওয়ার অনুমতি এসেছে।
- ধারাল কাঠ দিয়ে যবেহ করার ঘটনা এখানে বর্ণিত হয়েছে।
- সমস্যা হলে নবীজির কাছে জিজ্ঞেস করে সমাধান নেওয়া হয়েছে।
- যবেহের ক্ষেত্রে পশুর অবস্থা ও সময় গুরুত্বপূর্ণ।
