২৩/৬. অধ্যায়ঃ
গর্ভস্থ সন্তানের তরফ হতে কুরবানী
কুরবানী করার দিন কত—ইবনু উমার (রা)-এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০২৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০২৯
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ: الْأَضْحَى يَوْمَانِ بَعْدَ يَوْمِ الْأَضْحَى ১৩و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ مِثْلُ ذَلِكَ.
নাফি’ (র) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা) বলেছেন : ঈদুল আযহা দিবসের পর মাত্র দুই দিন কুরবানী করা দুরস্ত রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)মালিক (র) বলেন : ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রা) হতেও তাঁর কাছে অনুরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, ঈদুল আযহার দিনের পর মাত্র দুই দিন কুরবানী করা দুরস্ত রয়েছে। ইমাম মালিক (র) আরও বলেন, আলী ইবনু আবূ তালিব (রা) থেকেও তাঁর কাছে অনুরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। হাদিসটির মূল বিষয় হলো কুরবানীর সময়সীমা। এখানে ঈদের দিন এবং তার পরের দুই দিনের কথা বোঝা যায়। তাই “কুরবানী কত দিন করা যায়” বা “ঈদের পর কুরবানীর সময়” বিষয়ে এই বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই পাঠে শুধু ইবনু উমার (রা)-এর বক্তব্য এবং আলী (রা)-এর অনুরূপ রেওয়ায়তের কথা আছে; এর বাইরে বিস্তারিত মতভেদ বা ফিকহি আলোচনা যোগ করা ঠিক হবে না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল আযহার পর দুই দিন কুরবানীর সময় হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- কুরবানীর সময়সীমা জানা আমলের জন্য জরুরি।
- ইমাম মালিক আলী (রা) থেকে অনুরূপ রেওয়ায়তের কথা উল্লেখ করেছেন।
- হাদিসের ভাষা যতটুকু বলে, ব্যাখ্যাও ততটুকুতে সীমিত রাখা উচিত।
