২৩/৪. অধ্যায়ঃ

কুরবানীর গোশত রেখে দেয়া

কুরবানীর গোশত রাখা, খাওয়া ও দান করার শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০২৩

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ أَكْلِ لُحُومِ الضَّحَايَا بَعْدَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ثُمَّ قَالَ بَعْدُ كُلُوا وَتَصَدَّقُوا وَتَزَوَّدُوا وَادَّخِرُوا.

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা) হতে বর্ণিতঃ

তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছিলেন। পরে বললেন : তোমরা নিজেরা তা খাও, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার কর এবং (ভবিষ্যতের জন্য) রেখে দাও। (সহীহ, মুসলিম ১৯৭২)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০২৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে কুরবানীর গোশত নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে। প্রথমে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছিলেন। পরে তিনি বলেন, তোমরা নিজেরা তা খাও, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার কর এবং ভবিষ্যতের জন্য রেখে দাও। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, কুরবানীর গোশত শুধু খাওয়ার বিষয় নয়; এতে নিজের প্রয়োজন, সফরের পাথেয় এবং সংরক্ষণের দিকও আছে। একই সঙ্গে হাদিসে দান করার কথাও এসেছে। তবে এখানে মূল শিক্ষা হলো, আগে যে নিষেধ ছিল পরে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাই কুরবানীর গোশত রাখার বিধান বুঝতে হলে এই হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুরবানীর গোশত খাওয়া ও সংরক্ষণ করার অনুমতি এসেছে।
  • কুরবানীর গোশত দান করাও একটি ভালো আমল।
  • নবীজির পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী গোশত পাথেয় হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
  • একটি হুকুমের পরিবর্তিত নির্দেশ জানা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন