২/১৮. অধ্যায়ঃ

দুই লজ্জাস্থানের স্পর্শে গোসল ওয়াজিব হওয়া

গোসল ওয়াজিব হওয়ার কারণ: সহবাসের পর পবিত্রতার শিক্ষা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০১

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ وَعُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ وَعَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانُوا يَقُولُونَ إِذَا مَسَّ الْخِتَانُ الْخِتَانَ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) হতে বর্ণিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব, উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) ও নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী আয়েশা (রাঃ) বলতেন, যখন (পুরুষের) লজ্জাস্থান (স্ত্রীর) লজ্জাস্থান স্পর্শ করল তখন অবশ্য গোসল ওয়াজিব হয়ে গেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে উমার ইবনু খাত্তাব, উসমান ইবনু আফফান এবং আয়েশা (রাঃ)-এর বক্তব্য এসেছে। তাঁরা বলতেন, যখন পুরুষের লজ্জাস্থান স্ত্রীর লজ্জাস্থান স্পর্শ করে, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সহবাসের পর পবিত্রতার বিষয়ে অবহেলা করা ঠিক নয়। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিধানটি খুব পরিষ্কার। বীর্যপাতের কথা এখানে শর্ত হিসেবে বলা হয়নি; বরং লজ্জাস্থানের মিলন বা স্পর্শের বিষয়টি বলা হয়েছে। তাই গোসল ফরজ হওয়া, জানাবত থেকে পবিত্র হওয়া এবং নামাযের আগে শরীর পবিত্র করার বিষয়টি এই বর্ণনার মূল বার্তা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সহবাসের পর গোসল ওয়াজিব হওয়ার বিধানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
  • পবিত্রতা ছাড়া নামাযের মতো ইবাদতের দিকে এগোনো ঠিক নয়।
  • ধর্মীয় বিষয়ে সাহাবীদের বক্তব্য থেকেও পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।
  • লজ্জার বিষয় হলেও প্রয়োজনীয় মাসআলা জানা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন