১/১. অধ্যায়ঃ
পাঁচ ওয়াক্তের সময়
আসর নামাজের সময়: কুবায় পৌঁছানোর আগেই আদায়ের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ إِسْحَقَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ قَالَ، كُنَّا نُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَخْرُجُ الْإِنْسَانُ إِلَى بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَيَجِدُهُمْ يُصَلُّونَ الْعَصْرَ.
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা আসর সালাত আদায় করতাম, অতঃপর লোকজন বের হতেন (কুবায় অবস্থিত) বনি ‘আমর ইবনু আউফ-এর বস্তির দিকে, সেখানে তাদেরকে এ অবস্থায় পেতেন যে, তাঁরা আসরের নামায আদায় করতেছেন। (বুখারী ৫৪৮, মুসলিম, ৬২১)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আসর নামাজের সময়ের একটি বাস্তব বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁরা আসর সালাত আদায় করতেন। এরপর কেউ বনি আমর ইবনু আউফ-এর এলাকায় গেলে সেখানে গিয়ে তাঁদেরকে আসর নামাজ আদায় করতে পেতেন। এতে বোঝা যায়, আনাস (রাঃ)-দের এলাকায় আসর এমন সময়ে আদায় করা হতো যে নামাজ শেষে একজন মানুষ বের হয়ে দূরের এলাকায় পৌঁছাতে পারত, আর সেখানে তখনো আসর চলত। এই বর্ণনা আসর নামাজের সময় সম্পর্কে আগেভাগে আদায়ের একটি চিত্র দেয়। মূল শিক্ষা হলো, আসর সালাতের ওয়াক্ত এলে তা গুরুত্ব দিয়ে আদায় করা এবং অকারণে দেরি না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসর নামাজ ওয়াক্তের মধ্যে আগেভাগে আদায়ের আমল দেখা যায়।
- সাহাবিরা নামাজের সময় বাস্তব ঘটনা দিয়ে বর্ণনা করেছেন।
- নামাজ শেষে দূরে যাওয়া সম্ভব ছিল, তবু আসরের সময় বাকি থাকত।
- আসর নামাজ অকারণে দেরি করা থেকে সতর্ক থাকা উচিত।
