১৪/৩. অধ্যায়ঃ
বিতরের জন্য নবী (ﷺ) কর্তৃক তাঁর পরিবার-পরিজনকে জাগানো।
বিতরের জন্য জাগানো: রাতের ইবাদতে কোমল পারিবারিক শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৯৯৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯৯৭
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي، وَأَنَا رَاقِدَةٌ مُعْتَرِضَةً عَلَى فِرَاشِهِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُوتِرَ أَيْقَظَنِي فَأَوْتَرْتُ.
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) রাতে সালাত আদায় করতেন, তখন আমি তাঁর বিছানায় আড়াআড়ি ঘুমিয়ে থাকতাম। অতঃপর তিনি যখন বিতর পড়ার ইচ্ছা করতেন, তখন আমাকে জাগিয়ে দিতেন এবং আমিও বিতর আদায় করে নিতাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ৯৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বিতরের জন্য জাগানো। আয়েশা (রাঃ) জানান, নবী (صلى الله عليه وسلم) রাতে সালাত আদায় করতেন, আর তিনি তাঁর বিছানায় আড়াআড়ি ঘুমিয়ে থাকতেন। যখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বিতর পড়তে চাইতেন, তখন তাঁকে জাগিয়ে দিতেন। এরপর আয়েশা (রাঃ) নিজেও বিতর আদায় করতেন। এই বর্ণনায় রাতের সালাতের পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে ইবাদতের জন্য স্মরণ করিয়ে দেওয়ার সুন্দর ছবি দেখা যায়। এখানে কোনো কঠোর ভাষা নেই; বরং জাগিয়ে দেওয়া এবং বিতর আদায়ের সহজ ঘটনা এসেছে। যারা পরিবারে রাতের ইবাদতের পরিবেশ চান, তারা এই হাদিস থেকে কোমল আচরণের শিক্ষা নিতে পারেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) রাতে সালাত আদায় করতেন, আর আয়েশা (রাঃ) কাছেই ঘুমাতেন।
- বিতর পড়তে চাইলে তিনি আয়েশা (রাঃ)-কে জাগিয়ে দিতেন।
- আয়েশা (রাঃ) জেগে বিতর আদায় করতেন বলে বর্ণনায় এসেছে।
