১৩/২৩. অধ্যায়ঃ

ঈদের খুতবার সময় ইমাম ও লোকদের কথা বলা এবং খুতবার সময় ইমামের নিকট কোন কিছু জিজ্ঞেস করা হলে।

আল্লাহর নামে কুরবানি: সালাতের পর যবেহের শিক্ষা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯৮৫

حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ جُنْدَبٍ، قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ ثُمَّ خَطَبَ، ثُمَّ ذَبَحَ فَقَالَ ‏ "‏ مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيَذْبَحْ أُخْرَى مَكَانَهَا، وَمَنْ لَمْ يَذْبَحْ فَلْيَذْبَحْ بِاسْمِ اللَّهِ ‏"‏‏.‏

জুনদাব ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) কুরবানির দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুতবা দেন। অতঃপর যবেহ করেন এবং তিনি বলেন: সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবেহ করতে হবে এবং যে যবেহ করেনি, আল্লাহর নামে তার যবেহ করা উচিত।

সহীহ বুখারী হাদিস ৯৮৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো আল্লাহর নামে কুরবানি এবং কুরবানির সময়। বর্ণনায় এসেছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) কুরবানির দিন সালাত আদায় করেন, এরপর খুতবা দেন, তারপর যবেহ করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সালাতের আগে যবেহ করেছে, সে যেন তার স্থলে আরেকটি যবেহ করে। আর যে এখনো যবেহ করেনি, সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে। এই হাদিসে দুটি বিষয় খুব পরিষ্কার: কুরবানির সময় সালাতের পর, আর যবেহ হবে আল্লাহর নামে। এখানে কুরবানিকে শুধু পশু জবাই হিসেবে নয়, বরং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করা একটি ইবাদত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم) কুরবানির দিন সালাত, খুতবা, তারপর যবেহ করেছেন।
  • সালাতের আগে যবেহ করলে তার বদলে আরেকটি যবেহ করার নির্দেশ এসেছে।
  • কুরবানি আল্লাহর নামে করার কথা হাদিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন