১১/৩৭. অধ্যায়ঃ
জুমার দিনের সে মুহূর্তটি।
জুমার দিনের দোয়া কবুলের সময়: সংক্ষিপ্ত মুহূর্তের মূল্য
সহিহ বুখারী : ৯৩৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯৩৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ " فِيهِ سَاعَةٌ لاَ يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ، وَهْوَ قَائِمٌ يُصَلِّي، يَسْأَلُ اللَّهَ تَعَالَى شَيْئًا إِلاَّ أَعْطَاهُ إِيَّاهُ ". وَأَشَارَ بِيَدِهِ يُقَلِّلُهَا.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) জুমু’আর দিন সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং বলেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত।
সহিহ বুখারী হাদিস ৯৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমার দিনের দোয়ার সময়। নবী (صلى الله عليه وسلم) জুমার দিন সম্পর্কে বললেন, এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, কোনো মুসলিম বান্দা সে সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে তা দেন। তিনি হাতে ইঙ্গিত করে বুঝিয়েছেন, সময়টি খুব সংক্ষিপ্ত। এই হাদিস মানুষকে জুমার দিনকে দোয়া, সালাত ও আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার দিন হিসেবে নিতে শেখায়। তবে হাদিসে নির্দিষ্ট সময় বলা হয়নি; শুধু বলা হয়েছে মুহূর্তটি ছোট। তাই জুমার দিন দোয়া বাড়ানো, সালাতে মনোযোগ রাখা এবং আল্লাহর কাছে প্রয়োজন পেশ করা ভালো। এখানে দোয়ার আশা আছে, কিন্তু গাফেল থাকার সুযোগ নেই। সংক্ষিপ্ত সময়ের কথা শুনে মানুষকে আরও সচেতন হওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে দোয়ার একটি বিশেষ সংক্ষিপ্ত মুহূর্ত আছে।
- সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া গুরুত্বপূর্ণ আমল।
- সময়টি ছোট হওয়ায় জুমার দিন দোয়া বেশি করা উচিত।
- দোয়ার ক্ষেত্রে আশা ও মনোযোগ দুটিই দরকার।
