১১/১৯. অধ্যায়ঃ
জুমু'আর দিন দুইজনের মাঝে ফাঁক করে না।
জুমার দিনের আদব: গোসল, সুগন্ধি ও খুতবায় চুপ থাকা
সহীহ বুখারী : ৯১০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯১০
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ وَدِيعَةَ، عَنْ سَلْمَانَ الْفَارِسِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنِ اغْتَسَلَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَتَطَهَّرَ بِمَا اسْتَطَاعَ مِنْ طُهْرٍ، ثُمَّ ادَّهَنَ أَوْ مَسَّ مِنْ طِيبٍ، ثُمَّ رَاحَ فَلَمْ يُفَرِّقْ بَيْنَ اثْنَيْنِ، فَصَلَّى مَا كُتِبَ لَهُ، ثُمَّ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ أَنْصَتَ، غُفِرَ لَهُ مَا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الأُخْرَى ".
সালমান ফারসী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে এবং যথাসম্ভব উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে, অতঃপর তেল মেখে নেয় অথবা সুগন্ধি ব্যবহার করে, অতঃপর (মসজিদে) যায়, আর দুজনের মধ্যে ফাঁক করে না এবং তার ভাগ্যে নির্ধারিত পরিমাণ সালাত আদায় করে। আর ইমাম যখন (খুতবার জন্য) বের হন তখন চুপ থাকে। তার এ জুমার এবং পরবর্তী জুমার মধ্যবর্তী সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ৯১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদব একসাথে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, যথাসাধ্য পবিত্রতা অর্জন করে, তেল মাখে বা সুগন্ধি ব্যবহার করে, তারপর মসজিদে যায় এবং দুজনের মাঝে ফাঁক করে না, সে নির্ধারিত সালাত আদায় করে। এরপর ইমাম খুতবার জন্য বের হলে সে চুপ থাকে। এমন ব্যক্তির এই জুমা থেকে পরের জুমা পর্যন্ত মধ্যবর্তী গুনাহ ক্ষমা করা হয়। হাদিসটি জুমার গোসল, পরিচ্ছন্নতা, মসজিদের বসার আদব, নফল সালাত এবং খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনার শিক্ষা দেয়। এখানে শর্তগুলোকে একসাথে বোঝা দরকার; শুধু একটি কাজ নয়, পুরো আদবের ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার আগে গোসল ও পবিত্রতার যত্ন নেওয়া উচিত।
- মসজিদে গিয়ে দুজনের মাঝে ফাঁক করে বসা ঠিক নয়।
- ইমাম খুতবা শুরু করলে চুপ থাকা জুমার গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- হাদিসে বলা আদবগুলো ক্ষমা লাভের কারণ হিসেবে এসেছে।
