১০/১২১. অধ্যায়ঃ

রুকু পূর্ণ করার সীমা এবং এতে মধ্যম পন্থা ও ধীরস্থিরতা অবলম্বন।

রুকু-সিজদায় ধীরতা ও সময়ের ভারসাম্য

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৯২

حَدَّثَنَا بَدَلُ بْنُ الْمُحَبَّرِ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي الْحَكَمُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ كَانَ رُكُوعُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَسُجُودُهُ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ وَإِذَا رَفَعَ مِنَ الرُّكُوعِ، مَا خَلاَ الْقِيَامَ وَالْقُعُودَ، قَرِيبًا مِنَ السَّوَاءِ‏.‏

বারা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থা ছাড়া নবী (ﷺ)-এর রুকু, সিজদা এবং দুই সিজদার মধ্যবর্তী সময় এবং রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো, এগুলো প্রায় সমপরিমাণ ছিল।

সহিহ বুখারী হাদিস ৭৯২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের সময়ের ভারসাম্য বর্ণনা করা হয়েছে। বারাআ (রাঃ) বলেন, দাঁড়ানো ও বসা অবস্থার বাইরে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর রুকু, সিজদা, দুই সিজদার মাঝের সময় এবং রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো—এগুলো প্রায় সমান ছিল। এর অর্থ হলো, তিনি কোনো অংশে অকারণ তাড়াহুড়া করতেন না। রুকু ও সিজদা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি দুই সিজদার মাঝের বসা এবং রুকু থেকে উঠে সোজা দাঁড়ানোও গুরুত্ব রাখে। এই হাদিস ধীরস্থির নামাজ শেখায়। সালাতের প্রতিটি অবস্থানকে তার জায়গা দেওয়া দরকার। শুধু দ্রুত শেষ করাই লক্ষ্য নয়; বরং সালাত যেন ঠিকভাবে, শান্তভাবে ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পদ্ধতির কাছাকাছি হয়—সেটিই লক্ষ্য।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতে রুকু ও সিজদায় ভারসাম্য ছিল।
  • দুই সিজদার মাঝের বসাও গুরুত্ব রাখে।
  • রুকু থেকে উঠে সোজা দাঁড়ানো সালাতের অংশ।
  • নামাজে তাড়াহুড়া না করে ধীরস্থির থাকা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন