১০/১১৬. অধ্যায়ঃ
সিজদার তাকবীর পূর্ণভাবে বলা।
সিজদা, মাথা ওঠানো ও দুই রাকাতের পর তাকবীরের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৭৮৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৮৬
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ غَيْلاَنَ بْنِ جَرِيرٍ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ـ رضى الله عنه ـ أَنَا وَعِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ،، فَكَانَ إِذَا سَجَدَ كَبَّرَ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ كَبَّرَ، وَإِذَا نَهَضَ مِنَ الرَّكْعَتَيْنِ كَبَّرَ، فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ أَخَذَ بِيَدِي عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فَقَالَ قَدْ ذَكَّرَنِي هَذَا صَلاَةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم. أَوْ قَالَ لَقَدْ صَلَّى بِنَا صَلاَةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم.
মুতার্রিফ ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি এবং ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) আলি ইবন আবি তালিব (রাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সিজদায় গেলেন তখন তাকবীর বললেন, সিজদা হতে যখন মাথা উঠালেন তখনও তাকবীর বললেন, আবার দুই রাকাতের পর যখন দাঁড়ালেন তখনও তাকবীর বললেন। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন তখন ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, ইনি [আলি (রাঃ)] আমাকে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সালাত স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন অথবা তিনি বলেছিলেন, আমাদের নিয়ে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৭৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ)-এর ইমামতিতে আদায় করা সালাতের বর্ণনা এসেছে। তিনি সিজদায় যাওয়ার সময় তাকবীর বলতেন, সিজদা থেকে মাথা উঠানোর সময়ও তাকবীর বলতেন, আবার দুই রাকাতের পর দাঁড়ানোর সময়ও তাকবীর বলতেন। সালাত শেষে ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) বলেন, এই সালাত তাঁকে মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাত স্মরণ করিয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, সালাতের ভেতরে তাকবীর নির্দিষ্ট অবস্থাগুলোর সঙ্গে যুক্ত। সিজদা, বসা এবং দাঁড়ানোর মতো কাজগুলো শুধু শরীরের নড়াচড়া নয়; এগুলো আল্লাহর স্মরণসহ করা ইবাদত। তাই নামাজে তাকবীর বলার নিয়ম শিখে তা শান্তভাবে পালন করা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সিজদায় যাওয়া ও উঠার সময় তাকবীর বলা সুন্নাত আমল।
- দুই রাকাতের পর দাঁড়াতেও তাকবীর বলা হয়েছে।
- সাহাবীরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের ধরন চিনতেন।
- সালাতের প্রতিটি কাজ আল্লাহর স্মরণসহ হওয়া উচিত।
