১০/১১৫. অধ্যায়ঃ
রুকুতে তাকবীর পূর্ণভাবে বলা।
قَالَهُ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ فِيهِ مَالِكُ بْنُ الْحُوَيْرِثِ.এ ব্যাপারে ইবন ‘আব্বাস (রা.) নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। এ বিষয়ে মালিক ইবন হুওয়াইরিস (রা.) হতেও রিওয়ায়াত বর্ণিত আছে।"
রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের মতো উঠা-বসায় তাকবীর
সহীহ বুখারী : ৭৮৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৮৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بِهِمْ، فَيُكَبِّرُ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ، فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ إِنِّي لأَشْبَهُكُمْ صَلاَةً بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
আবূ সালামা ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি তাদের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার উঠা বসার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।
সহীহ বুখারী হাদিস ৭৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সালাতের একটি দিক বর্ণিত হয়েছে। তিনি লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার উঠা ও বসার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের সঙ্গে বেশি মিল রাখে। এখানে সালাতে তাকবীরের গুরুত্ব বোঝা যায়। তাকবীর মুসল্লিকে এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় নিয়ে যায় এবং আল্লাহর বড়ত্ব স্মরণ করায়। সাহাবীরা শুধু কথা দিয়ে নয়, নিজের আমল দেখিয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাত শেখাতেন। তাই নামাজে উঠা-বসার তাকবীরকে ছোট বিষয় মনে না করে, সুন্নাতের অংশ হিসেবে যত্ন নিয়ে বলা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের উঠা-বসায় তাকবীর বলা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের অংশ।
- সাহাবীরা আমল দেখিয়ে সালাত শেখাতেন।
- তাকবীর মুসল্লিকে আল্লাহর বড়ত্ব স্মরণ করায়।
- সুন্নাত অনুযায়ী সালাত আদায়ে যত্নশীল হওয়া দরকার।
