১০/৯৫. অধ্যায়ঃ
সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরি, মুকীম অবস্থায় হোক বা সফরে, সশব্দে কিরাআতের সালাত হোক বা নিঃশব্দে সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরি
যোহর ও আসরের কিরাআত: প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৭৫৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৫৮
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ قَالَ سَعْدٌ كُنْتُ أُصَلِّي بِهِمْ صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَتَىِ الْعَشِيِّ لاَ أَخْرِمُ عَنْهَا، أَرْكُدُ فِي الأُولَيَيْنِ وَأَحْذِفُ فِي الأُخْرَيَيْنِ. فَقَالَ عُمَرُ ـ رضى الله عنه ـ ذَلِكَ الظَّنُّ بِكَ.
জাবির ইব্নু সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সা’দ (রাঃ) বলেন, আমি তাদেরকে নিয়ে বিকালের দুই সালাত (যোহর ও আসর) আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর সালাতের মত সালাত আদায় করতাম। এতে কোন ত্রুটি করতাম না। প্রথম দুই রাকাতে কিরাআত দীর্ঘায়িত এবং শেষ দুই রাকাতে তা সংক্ষিপ্ত করতাম। উমর (রাঃ) বলেন, তোমার ব্যাপারে এটাই ধারণা।
সহীহ বুখারী হাদিস ৭৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সা’দ (রাঃ) তাঁর সালাতের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি লোকদের নিয়ে বিকালের দুই সালাত, অর্থাৎ যোহর ও আসর, আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের মতো আদায় করতেন। তিনি এতে কোনো ত্রুটি করতেন না। তাঁর পদ্ধতি ছিল, প্রথম দুই রাকাতে কিরাআত দীর্ঘ করা এবং শেষ দুই রাকাতে সংক্ষিপ্ত করা। উমর (রাঃ) তাঁর কথা শুনে বলেন, তোমার ব্যাপারে এটাই ধারণা। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো যোহর-আসরের সালাতে কিরাআতের দৈর্ঘ্য এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাত অনুসরণ। হাদিসটি দেখায়, সাহাবীরা নিজেদের সালাতকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতেন। সালাতে কিরাআতের পরিমাণও তাঁদের কাছে গুরুত্ব পেত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যোহর ও আসরের প্রথম দুই রাকাতে কিরাআত দীর্ঘ করার বর্ণনা এসেছে।
- শেষ দুই রাকাত সংক্ষিপ্ত করার আমল উল্লেখ আছে।
- সাহাবীরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর সালাত অনুসরণে যত্নবান ছিলেন।
