১০/৭৩. অধ্যায়ঃ
প্রথম কাতার।
সালাতে আউয়াল ওয়াক্ত ও সামনের কাতারের ফজিলত
সহীহ বুখারী : ৭২১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭২১
وَقَالَ وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي التَّهْجِيرِ لَاسْتَبَقُوا وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي الْعَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لَأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي الصَّفِّ الْمُقَدَّمِ لَاسْتَهَمُوا.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যদি লোকেরা জানত যে, আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায়ের কী ফজিলত, তাহলে তারা এর জন্য প্রতিযোগিতা করে আগেভাগে আসার চেষ্টা করত। আর ইশা ও ফজরের জামাআতের কী ফজিলত যদি তারা জানত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হতো। এবং সামনের কাতারের কী ফজিলত তা যদি জানত, তাহলে এর জন্য তারা কুরআ ব্যবহার করত।
সহীহ বুখারী হাদিস ৭২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক একসাথে এসেছে। প্রথমত, আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায়ের ফজিলত এত বড় যে মানুষ তা জানলে আগেভাগে আসার জন্য প্রতিযোগিতা করত। দ্বিতীয়ত, ইশা ও ফজরের জামাআতের ফজিলত এমনভাবে বলা হয়েছে যে মানুষ হামাগুড়ি দিয়েও এতে উপস্থিত হতে চাইত। তৃতীয়ত, সামনের কাতারের মর্যাদা জানলে মানুষ তা পাওয়ার জন্য কুরআ করত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাত শুধু আদায় করলেই শেষ নয়; সময়মতো, জামাআতের সাথে এবং ভালো কাতারে দাঁড়ানোর আগ্রহও ঈমানি চর্চার অংশ। তাই মুসল্লির জন্য নামাজের সময়, জামাআত এবং কাতারের গুরুত্বকে হালকা করে দেখা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আউয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায়ে আগ্রহী হওয়া উচিত।
- ইশা ও ফজরের জামাআতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
- সামনের কাতারে দাঁড়ানোর জন্য বৈধভাবে চেষ্টা করা প্রশংসনীয়।
- সালাতের ফজিলত জানলে আমলে আগ্রহ বাড়ে।
