১০/৩২. অধ্যায়ঃ
প্রথম ওয়াক্তে যুহরের সালাতে যাওয়ার মর্যাদা।
ফজর ও ইশা জামাআতের ফজিলত: হামাগুড়ি দিয়ে হলেও আসার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৬৫৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৫৪
" وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي التَّهْجِيرِ لاَسْتَبَقُوا إِلَيْهِ، وَلَوْ يَعْلَمُونَ مَا فِي الْعَتَمَةِ وَالصُّبْحِ لأَتَوْهُمَا وَلَوْ حَبْوًا ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আর আউয়াল ওয়াক্তে (যুহরের সালাতে যাওয়ার) কী ফজিলত তা যদি মানুষ জানত, তাহলে এর জন্য তারা অবশ্যই সর্বাগ্রে যেত। আর ‘ইশা ও ফজর সালাত (জামাআতে) আদায়ে কী ফজিলত, তা যদি তারা জানত, তাহলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এজন্য অবশ্যই উপস্থিত হতো।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তিনটি বিষয় এসেছে। প্রথমত, আউয়াল ওয়াক্তে, বিশেষভাবে যুহরের সালাতে যাওয়ার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে—মানুষ যদি তা জানত, তবে তারা আগে যাওয়ার জন্য এগিয়ে যেত। দ্বিতীয়ত, ইশা ও ফজর সালাতের জামাআতের ফজিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে। মানুষ যদি এ দুই সালাতের ফজিলত জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতো। এখানে “হামাগুড়ি” শব্দটি সালাতের গুরুত্ব বোঝাতে শক্ত ভাষা হিসেবে এসেছে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, সালাতের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া, আগে আগে প্রস্তুত হওয়া এবং বিশেষ করে ইশা ও ফজরের জামাআতকে অবহেলা না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আউয়াল ওয়াক্তে সালাতে যাওয়ার ফজিলতের কথা এসেছে।
- ইশা ও ফজর জামাআতের বিশেষ গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।
- সালাতের জন্য আগে প্রস্তুত হওয়া ভালো অভ্যাস।
- হাদিসে ফজিলত জানলে মানুষের আগ্রহ বাড়ত—এ কথা বলা হয়েছে।
