১০/১৩. অধ্যায়ঃ
ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আজান দেয়া।
সাহরী খাওয়ার সময়: ইবন উম্মু মাকতুমের আযান পর্যন্ত নির্দেশনা
সহীহ বুখারী : ৬২২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬২২
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ حَدَّثَنَا عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ،. وَعَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ. حوَحَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ عِيسَى الْمَرْوَزِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ، قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ ".
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দিয়ে থাকেন। কাজেই, ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) যতক্ষণ আযান না দেন, ততক্ষণ তোমরা (সেহরি) পানাহার করতে পার।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরী নিয়ে সহজ ও সরাসরি নির্দেশনা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) জানিয়েছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতে আযান দেন। তাই সেই আযান শুনে সাহরী বন্ধ করার কথা বলা হয়নি। বরং বলা হয়েছে, ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) আযান না দেওয়া পর্যন্ত খাওয়া-পান করা যায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সাহরী ও ফজরের সময় আলাদা করে বুঝতে হবে। সব আযান একই উদ্দেশ্যে ছিল না। একটি আযান ছিল রাতের শেষ ভাগে মানুষকে জাগানোর জন্য, আর আরেকটি আযান ছিল ফজরের সময় জানানোর জন্য। তাই এই হাদিস রোজাদারের জন্য সাহরীর শেষ সময় বুঝতে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়। এতে অযথা তাড়াহুড়া না করে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দিষ্ট নির্দেশ মানার শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাতের আগাম আযান শুনেই সাহরী বন্ধ করতে বলা হয়নি।
- ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর আযান ফজরের সময় বোঝার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
- সাহরীর ক্ষেত্রে সময় বোঝা জরুরি, ধারণা নয়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুসারে ইবাদতে সহজতা রাখা হয়েছে।
