১০/২. অধ্যায়ঃ

দুই দুইবার আজানের শব্দ বলা।

সালাতের সময় জানানোর সংকেত: আজান কেন নির্ধারিত হলো

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬০৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا كَثُرَ النَّاسُ قَالَ ـ ذَكَرُوا ـ أَنْ يَعْلَمُوا وَقْتَ الصَّلاَةِ بِشَىْءٍ يَعْرِفُونَهُ، فَذَكَرُوا أَنْ يُورُوا نَارًا أَوْ يَضْرِبُوا نَاقُوسًا، فَأُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ‏.‏

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত, এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বললেন, আগুন জ্বালানো হোক, কিংবা ঘণ্টা বাজানো হোক। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আজানের শব্দগুলো দুই দুই বার এবং ইকামতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হলো।

সহিহ বুখারী হাদিস ৬০৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে মুসলিমদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পর সালাতের সময় জানানো নিয়ে আলোচনা এসেছে। মানুষ বেশি হলে সবাইকে সালাতের সময় জানানো দরকার হয়। তাই সাহাবীরা এমন কোনো সংকেতের কথা ভাবলেন, যা দেখে বা শুনে বোঝা যাবে যে সালাতের সময় হয়েছে। কেউ আগুন জ্বালানোর কথা বলেন, কেউ ঘণ্টা বাজানোর কথা বলেন। এরপর বিলাল (রাঃ)-কে আজানের শব্দ দুইবার করে এবং ইকামতের শব্দ বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেওয়া হয়। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মুসলিম সমাজে সালাতকে কেন্দ্র করে শৃঙ্খলা দরকার। আজান শুধু শব্দ নয়; এটি সালাতের সময়ের পরিষ্কার ঘোষণা এবং মানুষকে ইবাদতের দিকে ডাকার মাধ্যম।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাতের সময় জানানো মুসলিম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন।
  • আজান সালাতের জন্য স্পষ্ট ও পরিচিত আহ্বান।
  • সমাজ বড় হলে ইবাদতের কাজে শৃঙ্খলা আরও দরকার হয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন