৯/৩৮. অধ্যায়ঃ
একাধিক সালাতের কাজা ক্রমান্বয়ে আদায় করা।
যুদ্ধের ব্যস্ততায় আসর ছুটে গেলে: হাদিসের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৫৯৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৯৮
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى ـ هُوَ ابْنُ أَبِي كَثِيرٍ ـ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ جَعَلَ عُمَرُ يَوْمَ الْخَنْدَقِ يَسُبُّ كُفَّارَهُمْ وَقَالَ مَا كِدْتُ أُصَلِّي الْعَصْرَ حَتَّى غَرَبَتْ. قَالَ فَنَزَلْنَا بُطْحَانَ، فَصَلَّى بَعْدَ مَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ، ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
খন্দকের যুদ্ধকালে এক সময় উমর (রাঃ) কুরাইশ কাফিরদের তিরস্কার করতে লাগলেন এবং বললেন, সূর্যাস্তের পূর্বে আমি আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি।জাবির (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমরা বুতহান উপত্যকায় উপস্থিত হলাম। সেখানে তিনি সূর্যাস্তের পর সে সালাত আদায় করলেন, তার পরে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) খন্দকের যুদ্ধকালের একটি ঘটনা বলেছেন। উমর (রাঃ) কুরাইশ কাফিরদের তিরস্কার করছিলেন এবং বললেন, সূর্যাস্তের পূর্বে তিনি আসরের সালাত আদায় করতে পারেননি। এরপর তাঁরা বুতহান উপত্যকায় গেলেন। সেখানে সূর্যাস্তের পরে সেই আসরের সালাত আদায় করা হলো, তারপর মাগরিবের সালাত আদায় করা হলো। এই বর্ণনার মূল বিষয় হলো ছুটে যাওয়া আসর সালাত আদায় করা। এখানে কোনো দীর্ঘ আলোচনা নেই; বরং ঘটনাটি নিজেই শিক্ষা দেয়—সালাত ছুটে গেলে তা অবহেলায় ফেলে রাখা নয়। কাজা সালাত, আসর কাজা, সূর্যাস্তের পর আসর এবং যুদ্ধের সময়ে সালাত নিয়ে যারা জানতে চান, এই হাদিস তাদের জন্য পরিষ্কার দিক দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খন্দকের যুদ্ধকালে আসর সময়মতো আদায় করা যায়নি।
- সূর্যাস্তের পর আসরের সালাত আদায়ের ঘটনা এসেছে।
- আসরের পরে মাগরিব আদায় করা হয়েছে।
- ছুটে যাওয়া ফরজ সালাত অবহেলায় ছেড়ে দেওয়া হয়নি।
