৭২/১০. অধ্যায়ঃ
শিকারে অভ্যস্ত হওয়া সম্পর্কে
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার: বিসমিল্লাহ, নিয়ন্ত্রণ ও সতর্কতা
সহীহ বুখারী : ৫৪৮৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৮৭
مُحَمَّدٌ أَخْبَرَنِي ابْنُ فُضَيْلٍ عَنْ بَيَانٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ قَالَ سَأَلْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ إِنَّا قَوْمٌ نَتَصَيَّدُ بِهٰذِهِ الْكِلاَبِ فَقَالَ إِذَا أَرْسَلْتَ كِلاَبَكَ الْمُعَلَّمَةَ وَذَكَرْتَ اسْمَ اللهِ فَكُلْ مِمَّا أَمْسَكْنَ عَلَيْكَ إِلاَّ أَنْ يَأْكُلَ الْكَلْبُ فَلاَ تَأْكُلْ فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يَكُونَ إِنَّمَا أَمْسَكَ عَلٰى نَفْسِه„ وَإِنْ خَالَطَهَا كَلْبٌ مِنْ غَيْرِهَا فَلاَ تَأْكُلْ.
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করে বললামঃ আমরা এমন এক সম্প্রদায়, যারা এই কুকুরগুলোর দ্বারা শিকার করতে অভ্যস্ত।তিনি বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরগুলোকে পাঠাও, তাহলে কুকুরগুলো তোমার জন্য যা ধরে রাখবে, তুমি তা খেতে পার। তবে কুকুর যদি কিছুটা খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না। কেননা, আমার আশঙ্কা হয় যে, সে তখন নিজের জন্যই ধরেছে। আর যদি তার সঙ্গে অন্যান্য কুকুর শামিল হয়, তাহলেও খেয়ো না।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৮
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে শিকার করার নিয়ম আবারও পরিষ্কারভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর পাঠালে তারা তোমার জন্য যা ধরে রাখে তা খেতে পার। কিন্তু কুকুর যদি শিকারের কিছু খেয়ে ফেলে, তাহলে খেয়ো না; কারণ আশঙ্কা আছে সে নিজের জন্য ধরেছে। আর যদি অন্য কুকুর এতে শামিল হয়, তাহলেও খেতে নিষেধ করা হয়েছে। এই বর্ণনা “প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর”, “বিসমিল্লাহ বলে শিকার” এবং “হালাল শিকারের শর্ত” বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেখা যায়, শিকার শুধু ধরার বিষয় নয়; আল্লাহর নাম, নিয়ন্ত্রণ এবং সন্দেহমুক্ত হওয়াও জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের শিকার আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করতে হয়।
- কুকুর নিজে খেলে শিকার না খাওয়ার নির্দেশ এসেছে।
- অন্য কুকুর শামিল হলে সন্দেহের কারণে খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
