৭২/৬. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি শিকার বা পশু রক্ষার কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুর পালন করে।
প্রয়োজন ছাড়া কুকুর রাখার ক্ষতি: আমল কমে যাওয়ার সতর্কতা
সহীহ বুখারী : ৫৪৮২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৮২
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ اقْتَنٰى كَلْبًا إِلاَّ كَلْبَ مَاشِيَةٍ أَوْ ضَارِيًا نَقَصَ مِنْ عَمَلِه„ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি পশু রক্ষাকারী কিংবা শিকারী কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর পালে, তার আমল থেকে প্রতিদিন দুই কীরাত পরিমাণ সওয়াব কমে যায়।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭৪
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুকুর পালনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমা বুঝিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পশু রক্ষাকারী বা শিকারী কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর পাললে প্রতিদিন আমল থেকে দুই কীরাত পরিমাণ সওয়াব কমে যায়। হাদিসে “আমল” ও “সওয়াব” কমার কথা এসেছে, তাই এটি একজন মুমিনের জন্য বড় সতর্কবার্তা। এখানে প্রাণীর প্রতি খারাপ আচরণের কথা বলা হয়নি; বরং অকারণে কুকুর রাখা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। “কুকুর পালনের বিধান” বা “কুকুর পুষলে আমল কমে যায়” বিষয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি দিকনির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুর রাখা হলে প্রয়োজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
- শিকার ও পশু রক্ষার প্রয়োজন হাদিসে অনুমোদিত ব্যতিক্রম হিসেবে এসেছে।
- সওয়াবের ক্ষতি থেকে বাঁচতে ছোট মনে হওয়া কাজেও সতর্ক থাকা দরকার।
