৭২/৬. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি শিকার বা পশু রক্ষার কুকুর ব্যতীত অন্য কুকুর পালন করে।
অকারণে কুকুর পালনের বিধান: আমলের ক্ষতির সতর্ক শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৫৪৮০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৮০
مُوسٰى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ اقْتَنٰى كَلْبًا لَيْسَ بِكَلْبِ مَاشِيَةٍ أَوْ ضَارِيَةٍ نَقَصَ كُلَّ يَوْمٍ مِنْ عَمَلِه„ قِيرَاطَانِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি এমন কুকুর পালে যেটি পশু রক্ষার জন্যও নয় কিংবা শিকারের জন্যও নয়; তার আমল থেকে প্রত্যহ দুই কীরাত পরিমাণ কমে যাবে।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৭২
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অকারণে কুকুর পালনের বিষয়ে স্পষ্ট সতর্কতা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন কুকুর পালে যা পশু রক্ষার জন্য নয় এবং শিকারের জন্যও নয়, তার আমল থেকে প্রতিদিন দুই কীরাত পরিমাণ কমে যায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, কুকুর রাখা কোনো শখের বিষয় নয়; বরং প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হলে আলাদা কথা। হাদিসের ভাষায় পশু রক্ষাকারী কুকুর এবং শিকারী কুকুরের কথা এসেছে। তাই “কুকুর পালনের বিধান”, “শিকারী কুকুর” এবং “পশু রক্ষাকারী কুকুর” বিষয়ে এই বর্ণনা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানুষকে নিজের অভ্যাস, ঘরের পরিবেশ এবং আমলের ক্ষতির ব্যাপারে ভাবতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রয়োজন ছাড়া কুকুর পালনের বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
- পশু রক্ষা ও শিকারের প্রয়োজনকে হাদিসে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অভ্যাস বা শখের কাজও আমলের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
