৭১/৩. অধ্যায়ঃ
ফারা সম্পর্কে।
ফারা ও আতীরা নেই: জাহেলি যবেহের প্রথা থেকে দূরে থাকা
সহীহ বুখারী : ৫৪৭৩
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৭৩
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ ". وَالْفَرَعُ أَوَّلُ النِّتَاجِ، كَانُوا يَذْبَحُونَهُ لَطِوَاغِيتِهِمْ، وَالْعَتِيرَةُ فِي رَجَبٍ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, (ইসলামে) ফারা বা আতীরা নেই। ফারা হল উটের সে প্রথম বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ করত। আর আতীরা হল রজবে যে জন্তু যবেহ করত।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) স্পষ্টভাবে বলেছেন, ফারা ও আতীরা নেই। বর্ণনার মধ্যেই ফারা ও আতীরার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ফারা বলা হয়েছে উটের প্রথম বাচ্চাকে, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ করত। আর আতীরা বলা হয়েছে রজব মাসে করা একটি যবেহকে। তাই এই হাদিসের মূল বিষয় হলো, এমন যবেহ বা প্রথা থেকে দূরে থাকা যা দেব-দেবীর নামে বা জাহেলি ধারায় করা হতো। এখানে আকিকার মতো আলাদা ইসলামী আমলের সঙ্গে এটিকে মিশিয়ে ফেলা ঠিক নয়। হাদিসে শুধু ফারা ও আতীরাকে অস্বীকার করা হয়েছে এবং এগুলোর পরিচয় দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসলামে ফারা ও আতীরা নেই—এ কথা হাদিসে সরাসরি এসেছে।
- ফারা ছিল দেব-দেবীর নামে উটের প্রথম বাচ্চা যবেহ করার প্রথা।
- আতীরা ছিল রজব মাসে যবেহের একটি প্রথা।
- ইবাদত বা যবেহের ক্ষেত্রে ভুল প্রথা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
