৭০/৫৩. অধ্যায়ঃ
রুমাল প্রসঙ্গে
আগুনে রান্না খাবার খেলে অজু কি জরুরি: জাবির (রাঃ)-এর বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ৫৪৫৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৫৭
إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّه“ سَأَلَه“ عَنِ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتْ النَّارُ فَقَالَ لاَ قَدْ كُنَّا زَمَانَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ نَجِدُ مِثْلَ ذ‘لِكَ مِنَ الطَّعَامِ إِلاَّ قَلِيلاً فَإِذَا نَحْنُ وَجَدْنَاه“ لَمْ يَكُنْ لَنَا مَنَادِيلُ إِلاَّ أَكُفَّنَا وَسَوَاعِدَنَا وَأَقْدَامَنَا ثُمَّ نُصَلِّي وَلاَ نَتَوَضَّأُ.
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আগুনে স্পর্শ বস্তু খাওয়ার পর অজু করা সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ না, অজু করতে হবে না। নবী (ﷺ)-এর যুগে তো আমরা এমন খাবার কমই পেতাম। যখন আমরা তা পেতাম, তখন আমাদের তো হাতের তালু, হাত ও পা ব্যতীত কোন রুমাল ছিল না (আমরা এগুলো দিয়ে মুছে নিতাম)। তারপর (আবার) অজু না করেই আমরা সালাত আদায় করতাম।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৯
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে আগুনে স্পর্শ করা খাবার খাওয়ার পর অজু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়। তিনি বলেন, না, অজু করতে হবে না। তিনি আরও বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর যুগে এমন খাবার তারা খুব কম পেতেন। যখন পেতেন, তখন রুমাল ছিল না; হাতের তালু, হাত, বাহু বা পা দিয়ে মুছে নিতেন। এরপর তাঁরা অজু না করেই সালাত আদায় করতেন। এই বর্ণনা খাবারের পর অজু, আগুনে রান্না খাবার এবং সাহাবিদের সরল জীবন সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য দেয়। এখানে মূল কথা হলো, এমন খাবার খাওয়ার পর তাঁরা নতুন অজু করতেন না।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আগুনে রান্না খাবার খাওয়ার পর অজু না করার বর্ণনা এসেছে।
- সাহাবিদের জীবন ছিল খুব সরল ও কষ্টসহিষ্ণু।
- খাবারের পর পরিষ্কার হয়ে সালাত আদায় করা তাঁদের আমলে দেখা যায়।
- প্রশ্নের জবাবে জাবির (রাঃ) বাস্তব আমল দিয়ে উত্তর দিয়েছেন।
