৭০/৪৯. অধ্যায়ঃ
রসূন ও (দূর্গন্ধযুক্ত) তরকারি মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে
এ সম্পর্কে ইবন ‘উমার (রা.) থেকে নবী (ﷺ)-এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
রসুন খেলে মসজিদে না আসা: মসজিদের আদব ও মানুষের কষ্টের কথা
সহীহ বুখারী : ৫৪৫১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৫১
مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَالَ قِيلَ لِأَنَسٍ مَا سَمِعْتَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلميَقُوْلُ فِي الثُّومِ فَقَالَ مَنْ أَكَلَ فَلاَ يَقْرَبَنَّ مَسْجِدَنَا.
‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল: আপনি রসুন সম্পর্কে নবী (ﷺ)-এর নিকট হতে কী শুনেছেন? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি তা খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে (এ কথা শুনেছি)।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৪৪
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিনি রসুন সম্পর্কে নবী صلى الله عليه وسلم থেকে কী শুনেছেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি রসুন খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে। বর্ণনাটি খুব স্পষ্ট। রসুন হালাল খাবার হলেও এর গন্ধ অন্যদের কষ্ট দিতে পারে। তাই মসজিদে আসার সময় মুখের গন্ধ ও পরিচ্ছন্নতার দিকে খেয়াল রাখা দরকার। এই হাদিস রসুন খাওয়ার হাদিস, মসজিদের আদব এবং মুসল্লিদের কষ্ট না দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রসুনকে হারাম বলা হয়নি; বরং গন্ধযুক্ত অবস্থায় মসজিদে আসা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রসুন খেলে গন্ধের কারণে মসজিদে না আসার নির্দেশ এসেছে।
- মসজিদে অন্য মুসল্লিদের কষ্ট না দেওয়া জরুরি।
- হালাল খাবার হলেও তার গন্ধের প্রভাব বিবেচনা করা উচিত।
- ইবাদতের জায়গায় পরিচ্ছন্নতা ও আদব রক্ষা করা দরকার।
