৭০/৪৩. অধ্যায়ঃ

আজওয়া খেজুর প্রসঙ্গে

সাত আজওয়া খেজুরের হাদিস: সকালবেলার আমল ও ফজিলত

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৪৫

جُمْعَةُ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ أَخْبَرَنَا عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ تَصَبَّحَ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرَّه“ فِي ذ‘لِكَ الْيَوْمِ سُمٌّ وَلاَ سِحْرٌ.

সা’দ (রাঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেকদিন সকালবেলায় সাতটি আজওয়া (উৎকৃষ্ট) খেজুর খাবে, সেদিন কোন বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করবে না।

আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯৩৮

সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৪৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালবেলায় সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন বিষ ও জাদু তার ক্ষতি করবে না। এখানে মূল বিষয় হলো আজওয়া খেজুরের ফজিলত। হাদিসের ভাষা নির্দিষ্ট: সকালবেলা, সাতটি, আজওয়া খেজুর। তাই এই বিষয়গুলো বদলে সাধারণ যেকোনো খেজুর বা যেকোনো সময়ের খাবার বলে দেওয়া ঠিক নয়। আজওয়া খেজুরের হাদিস, সাত খেজুর খাওয়ার আমল এবং বিষ-জাদু থেকে সুরক্ষা—এসব বিষয়ে এটি খুব পরিচিত বর্ণনা। তবে ব্যাখ্যার সময় হাদিসের সীমা মানা দরকার। চিকিৎসা বা নিরাপত্তার সব বিষয়কে বাদ দিয়ে শুধু খেজুরের ওপর নির্ভর করার কথা এখানে বলা হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সকালবেলায় সাতটি আজওয়া খেজুর খাওয়ার বিশেষ ফজিলত এসেছে।
  • হাদিসে বিষ ও জাদুর ক্ষতি থেকে সেদিনের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে।
  • বর্ণনার নির্দিষ্ট শব্দ—সাতটি ও আজওয়া—সাবধানে মানা উচিত।
  • সুন্নাহভিত্তিক আমলে বিশ্বাস ও শৃঙ্খলা থাকা দরকার।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন