৭০/২৫. অধ্যায়ঃ
সারীদ প্রসঙ্গে
মরিয়ম, আসিয়া ও আয়েশা রা.-এর মর্যাদা: থারীদের উপমা
সহিহ বুখারী : ৫৪১৮
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪১৮
مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ الْجَمَلِيِّ عَنْ مُرَّةَ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ أَبِي مُوسٰى الأَشْعَرِيِّ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَمَلَ مِنَ الرِّجَالِ كَثِيرٌ وَلَمْ يَكْمُلْ مِنَ النِّسَاءِ إِلاَّ مَرْيَمُ بِنْتُ عِمْرَانَ وَآسِيَةُ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ وَفَضْلُ عَائِشَةَ عَلٰى النِّسَاءِ كَفَضْلِ الثَّرِيدِ عَلٰى سَائِرِ الطَّعَامِ.
আবূ মূসা আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: পুরুষদের মধ্যে অনেকেই কামেল হতে পেরেছে। কিন্তু নারীদের মধ্যে ইমরান কন্যা মারিয়াম এবং ফিরআউনের স্ত্রী আসিয়া ছাড়া অন্য কেউই কামেল হতে পারেনি। নারীদের মধ্যে আয়েশার মর্যাদাও তেমন, যেমন খাদ্যের মধ্যে থারীদের মর্যাদা।
আধুনিক প্রকাশনী- ৫০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৯১১
সহিহ বুখারী হাদিস ৫৪১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) কয়েকজন সম্মানিত নারীর মর্যাদা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, পুরুষদের মধ্যে অনেকেই কামেল বা পূর্ণতায় পৌঁছেছে। নারীদের মধ্যে ইমরান কন্যা মরিয়ম এবং ফিরআউনের স্ত্রী আসিয়া ছাড়া কেউ সেই পূর্ণতায় পৌঁছায়নি। এরপর তিনি আয়েশা (রাঃ)-এর মর্যাদা বোঝাতে খাবারের উপমা দেন। তিনি বলেন, নারীদের ওপর আয়েশার মর্যাদা তেমন, যেমন অন্যান্য খাবারের ওপর থারীদের মর্যাদা। হাদিসে থারীদকে খাবারের মধ্যে বিশেষ মর্যাদার উদাহরণ হিসেবে আনা হয়েছে। তাই আয়েশা (রাঃ)-এর ফজিলত, মরিয়ম ও আসিয়ার মর্যাদা এবং থারীদের উপমা—এই হাদিসের মূল বিষয়। এখানে হাদিসের ভাষার বাইরে অন্য জীবনকাহিনি যোগ করার দরকার নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মরিয়ম ও আসিয়া আল্লাহর কাছে উচ্চ মর্যাদার নারী হিসেবে উল্লেখিত।
- আয়েশা (রাঃ)-এর মর্যাদা নবী (صلى الله عليه وسلم) বিশেষ উপমা দিয়ে বুঝিয়েছেন।
- হাদিসে খাবারের পরিচিত উপমা দিয়ে মর্যাদা বোঝানো হয়েছে।
