৬৮/৩৫. অধ্যায়ঃ
লি'আনকারিণীকে সন্তান অর্পণ করা হবে।
লি‘আনের পর সন্তানের পরিচয়: মায়ের দিকে যুক্ত করার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৫৩১৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৩১৫
يَحْيٰى بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ قَالَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لاَعَنَ بَيْنَ رَجُلٍ وَامْرَأَتِه„ فَانْتَفٰى مِنْ وَلَدِهَا فَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا وَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِالْمَرْأَةِ.
ইবনু 'উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এক লোক ও তার স্ত্রীকে লি‘আন করালেন এবং সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করে উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। আর সন্তান মহিলাকে দিয়ে দিলেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৯
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৩১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রীর মধ্যে লি‘আন করান। লোকটি সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করে। এরপর নবীজি তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং সন্তানকে মহিলার সঙ্গে যুক্ত করেন। হাদিসটি লি‘আনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বোঝায়: দাম্পত্য অভিযোগের পর শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ফয়সালা নয়, সন্তানের পরিচয়ের বিষয়ও সামনে আসে। এখানে সন্তানের হক, মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক এবং লি‘আনের পরিণতি—সবই সংক্ষিপ্তভাবে এসেছে। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, তার বেশি দাবি করা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো, গুরুতর অভিযোগের বিষয় শরঈ ফয়সালার মাধ্যমে মীমাংসা করা হয় এবং সন্তানের পরিচয় নিয়ে হাদিসে নির্দিষ্ট নির্দেশনা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লি‘আনের পর স্বামী-স্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
- সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকারের বিষয় হাদিসে এসেছে।
- সন্তানকে মায়ের দিকে যুক্ত করার কথা উল্লেখ আছে।
- দাম্পত্য অভিযোগ সন্তানের পরিচয়ের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
