৬৮/১৫. অধ্যায়ঃ
দাসী স্ত্রী আযাদ হয়ে গেলে গোলাম স্বামীর সঙ্গে থাকা বা না থাকার ইখতিয়ার।
বারীরার স্বামী মুগিস: ক্রীতদাস অবস্থার বর্ণনা
সহীহ বুখারী : ৫২৮০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫২৮০
أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ وَهَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ رَأَيْتُه“ عَبْدًا يَعْنِي زَوْجَ بَرِيرَةَ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি তাকে অর্থাৎ বরীরার স্বামীকে ক্রীতদাস অবস্থায় দেখেছি।
আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮৭
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বারীরার স্বামী মুগিসের পরিচয় বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি বরীরার স্বামীকে ক্রীতদাস অবস্থায় দেখেছেন। তাই হাদিসের মূল বিষয় হলো বারীরার স্বামী মুগিস এবং তার দাসত্বের অবস্থা। এই বর্ণনায় কোনো দীর্ঘ ঘটনা বা আলাদা বিধান বলা হয়নি। শুধু একটি বাস্তব তথ্য জানানো হয়েছে—বরীরার স্বামী তখন ক্রীতদাস ছিলেন। এমন সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও আমরা বুঝি, সাহাবারা ঘটনাগুলো যেমন দেখেছেন, তেমনভাবেই বর্ণনা করেছেন। বারীরা ও মুগিসের ঘটনা বুঝতে এই পরিচয়টি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই “বারীরার স্বামী”, “মুগিস” এবং “ক্রীতদাস” শব্দগুলো এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের বর্ণনায় ব্যক্তির অবস্থা যেমন দেখা হয়েছে, তেমনই বলা হয়েছে।
- বারীরার স্বামী মুগিসের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল তার ক্রীতদাস অবস্থা।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও কোনো ঘটনার মূল পরিচয় বুঝতে সাহায্য করে।
