৬৮/১৩. অধ্যায়ঃ
স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব হলে (অথবা প্রয়োজনের তাগিদে) ক্ষতির আশঙ্কায় খুলার প্রতি ইশারা করতে পারে কি?
وَقَوْلُهُ تَعَالَى : ﴿وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقِ اللَّهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا خَبِيرًا﴾মহান আল্লাহর বাণী: “যদি তোমরা তাদের মধ্যে অনেকের আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর আত্মীয়-স্বজন হতে একজন এবং স্ত্রীর আত্মীয়-স্বজন হতে একজন সালিস নিযুক্ত কর। যদি উভয়ে মীমাংসা করিয়ে দেয়ার ইচ্ছে করে, তবে আল্লাহ উভয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করবেন, নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছু জানেন, সকল কিছুর খবর রাখেন।” (সূরা আন-নিসা ৪/৩৫)"
আলীর বিয়ের অনুমতি বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সিদ্ধান্ত
সহীহ বুখারী : ৫২৭৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫২৭৮
أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ الزُّهْرِيِّ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلميَقُوْلُ إِنَّ بَنِي الْمُغِيرَةِ اسْتَأْذَنُوا فِي أَنْ يَنْكِحَ عَلِيٌّ ابْنَتَهُمْ فَلاَ آذَنُ.
মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, বনু মুগীরার লোকেরা তাদের মেয়েকে আলী যেন বিয়ে করেন এ অনুমতি চেয়েছিল, আমি এর অনুমতি দিতে পারি না।
আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৮৫
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বনু মুগীরার লোকদের একটি অনুরোধের কথা এসেছে। তারা চেয়েছিল, আলী (রাঃ) যেন তাদের মেয়েকে বিয়ে করেন, এ ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হোক। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন যে, তারা অনুমতি চেয়েছে, কিন্তু তিনি এ অনুমতি দিতে পারেন না। এই হাদিসে বিস্তারিত কারণ এখানে বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যাও এই সীমার ভেতরে রাখা উচিত। তবে এতটুকু স্পষ্ট, বিয়ের মতো পারিবারিক বিষয়ে অনুমতি, সম্মতি এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্তের গুরুত্ব আছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিষয়টি শুনে সরাসরি নিজের অবস্থান জানান। তাই এই হাদিস আমাদের শেখায়, পারিবারিক সিদ্ধান্তে আবেগের পাশাপাশি বিবেচনাও দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিয়ের বিষয়ে অনুমতি ও সম্মতির গুরুত্ব দেখা যায়।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) একটি পারিবারিক অনুরোধে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানান।
- এই বর্ণনায় কারণ না থাকলে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
