৬৭/১২৬. অধ্যায়ঃ
কোনো ব্যক্তি তার সাথীকে বলা যে, তোমরা কি গত রাতে যৌন সঙ্গম করেছ? এবং ধমক দেয়া কালে কোনো ব্যক্তির নিজ কন্যার কোমরে আঘাত করা।
নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি আদব: আয়েশা (রাঃ)-এর স্থির থাকার ঘটনা
সহীহ বুখারী : ৫২৫০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫২৫০
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ عَاتَبَنِي أَبُو بَكْرٍ وَجَعَلَ يَطْعُنُنِي بِيَدِه„ فِي خَاصِرَتِي فَلاَ يَمْنَعُنِي مِنَ التَّحَرُّكِ إِلاَّ مَكَانُ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَرَأْسُه“ عَلٰى فَخِذِي.
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু বকর (রাঃ) আমাকে ভর্ৎসনা করলেন এবং আমার কোমরে তাঁর হাত দ্বারা খোঁচা দিলেন। আমার ঊরুর ওপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মস্তক থাকার কারণে আমি নড়াচড়া করতে পারিনি।
আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৭০
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) বলেন, আবু বকর (রাঃ) তাঁকে ভর্ৎসনা করেছিলেন এবং কোমরে হাত দিয়ে খোঁচা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর ঊরুর ওপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মাথা থাকার কারণে তিনি নড়াচড়া করতে পারেননি। এই বর্ণনাটি সংক্ষিপ্ত হলেও এতে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রতি গভীর আদবের ছবি আছে। আয়েশা (রাঃ) কষ্ট বা অস্বস্তি পেয়েও নড়েননি, কারণ তিনি চাননি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আরাম বা অবস্থায় ব্যাঘাত ঘটুক। হাদিসটি কোনো দীর্ঘ আলোচনা নয়, বরং একটি ঘটনার ছোট অংশ। তাই এখান থেকে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, সম্মানিত ব্যক্তির আরাম, অবস্থান ও মর্যাদার প্রতি খেয়াল রাখা। পরিবারের ভেতরেও শালীনতা, ধৈর্য এবং পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আরাম ও অবস্থানের প্রতি আয়েশা (রাঃ) গভীর সম্মান দেখিয়েছেন।
- অস্বস্তির সময়ও পরিস্থিতি বুঝে ধৈর্য ধরা যায়।
- পরিবারের ভেতরেও আদব ও সংযম রক্ষা করা দরকার।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে সীমার বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
