৬৭/৮৫. অধ্যায়ঃ

স্বামীর অনুমতি নিয়ে স্ত্রীদের নফল সওম পালন করা।

নফল সাওমে স্বামীর অনুমতি: দাম্পত্য অধিকারের হাদিস

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫১৯২

مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ تَصُومُ الْمَرْأَةُ وَبَعْلُهَا شَاهِدٌ إِلاَّ بِإِذْنِهِ.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) ইরশাদ করেছেন, কোনো স্ত্রী স্বামীর উপস্থিতিতে তাঁর অনুমতি ব্যতীত নফল সাওম রাখবে না।

আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮১৩

সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৯২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো নফল সাওম এবং দাম্পত্য অধিকার। নবীজি صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো স্ত্রী স্বামীর উপস্থিতিতে তাঁর অনুমতি ছাড়া নফল সাওম রাখবে না। এখানে ফরজ সাওম নয়, নফল সাওমের কথা বলা হয়েছে। কারণ নফল ইবাদত গুরুত্বপূর্ণ হলেও দাম্পত্য জীবনের নির্দিষ্ট অধিকারও গুরুত্বপূর্ণ। স্বামী উপস্থিত থাকলে স্ত্রীর নফল রোজা রাখার আগে অনুমতি নেওয়া পরিবারে বোঝাপড়া ও অধিকার রক্ষার একটি পথ। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত বা গল্প যোগ করা ঠিক নয়। ইসলামী স্কলারদের মতে, ফরজ রমজানের সাওম এর মধ্যে পড়ে না; এই বর্ণনার শব্দ হলো নফল সাওম। তাই নফল রোজা, স্বামীর অনুমতি, স্ত্রীর সাওম, দাম্পত্য অধিকার—এসব এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • স্বামী উপস্থিত থাকলে নফল সাওমে স্ত্রীর অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ এসেছে।
  • নফল ইবাদত করতে গিয়েও দাম্পত্য অধিকার উপেক্ষা করা উচিত নয়।
  • পরিবারে ইবাদত ও সম্পর্ক—দুটির মধ্যে ভারসাম্য দরকার।
  • হাদিসটি ফরজ নয়, নফল সাওমের বিষয়ে কথা বলেছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন