৬৭/৮১. অধ্যায়ঃ
নারীদের প্রতি সদ্ব্যবহারের ওসিয়ত।
প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া: ঈমানের সঙ্গে আচরণের হাদিস
সহীহ বুখারী : ৫১৮৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫১৮৫
إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ مَيْسَرَةَ عَنْ أَبِي حَازِمٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلاَ يُؤْذِي جَارَه
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, যে আল্লাহ এবং কেয়ামতের দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়।
আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮০৭
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো প্রতিবেশীর হক। নবীজি صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্ত কথায় বড় শিক্ষা দিয়েছেন: যে আল্লাহ এবং কেয়ামতের দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। এখানে ঈমান শুধু মুখের কথা নয়; মানুষের সঙ্গে আচরণেও তার প্রমাণ দরকার—এ কথা বোঝা যায়। প্রতিবেশী মুসলিম হোক বা অন্য কেউ, হাদিসের ভাষা সাধারণভাবে প্রতিবেশীর কষ্ট এড়ানোর শিক্ষা দেয়। শব্দ, ব্যবহার, ঝগড়া, অন্যায় চাপ, বিরক্তি—যে কোনোভাবে কষ্ট দেওয়া থেকে বাঁচা দরকার। তবে হাদিসে যে কথাটি সরাসরি আছে, সেটাই মূল: প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া ঈমানদারের আচরণ হতে পারে না। তাই প্রতিবেশীর অধিকার, প্রতিবেশীর হক হাদিস, প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া—এসব এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড। ছোট বাক্য হলেও এর প্রভাব বড়; ঘরের পাশের মানুষ নিরাপদ হলে সমাজও শান্ত হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস মানুষের আচরণে প্রকাশ পাওয়া উচিত।
- প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া ঈমানি চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- কথা, কাজ বা আচরণে প্রতিবেশীর ক্ষতি করা থেকে বাঁচতে হবে।
- সমাজে শান্তি শুরু হয় পাশের মানুষের হক রক্ষা করার মাধ্যমে।
