৬৭/৭৩. অধ্যায়ঃ
যে দাওয়াত কবুল করে না, সে যেন আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (ﷺ)-এর অবাধ্য হল।
ওয়ালিমায় গরিবদের দাওয়াত হাদিস: ধনী-গরিবের ভারসাম্যের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৫১৭৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫১৭৭
عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنِالأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّه“ كَانَ يَقُوْلُ شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُدْعٰى لَهَا الأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْفُقَرَاءُ وَمَنْ تَرَكَ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللهَ وَرَسُوْلَه“ صلى الله عليه وسلم.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ওয়ালীমায় কেবল ধনীদেরকে দাওয়াত করা হয় এবং গরীবদেরকে দাওয়াত করা হয় না সেই ওয়ালীমা সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যে ব্যক্তি দাওয়াত কবুল করে না, সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে অবাধ্যতা করে।
[মুসলিম ১৬/১৪, হাঃ ১৪৩২, আহমাদ ৭২৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৯৯)
সহীহ বুখারী হাদিস ৫১৭৭-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: ন্যায়ভিত্তিক দাওয়াত। এই হাদিসে আবু হুরাইরা রাঃ বলেন, যে ওয়ালিমায় ধনীদের ডাকা হয় এবং গরিবদের বাদ দেওয়া হয়, সেই খাবার নিকৃষ্ট। এরপর বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি দাওয়াত ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর অবাধ্যতা করে। হাদিসটি ওয়ালিমার সামাজিক ন্যায়ের দিকটি পরিষ্কার করে। বিয়ের দাওয়াত যেন শুধু ধনী বা প্রভাবশালী মানুষের জন্য না হয়; গরিবদের বাদ দেওয়া একটি খারাপ আচরণ হিসেবে এসেছে। একই সঙ্গে আমন্ত্রিত হলে দাওয়াতের সম্মান রাখার গুরুত্বও বলা হয়েছে। যারা ওয়ালিমায় গরিবদের দাওয়াত হাদিস, ধনীদের ওয়ালিমা বা দাওয়াত কবুলের হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এটি খুব স্পষ্ট শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালিমায় শুধু ধনীদের ডেকে গরিবদের বাদ দেওয়া নিন্দিত।
- দাওয়াতের ক্ষেত্রে সামাজিক ভারসাম্য ও মানুষের সম্মান জরুরি।
- দাওয়াত গ্রহণের গুরুত্ব এই বর্ণনায় জোর দিয়ে এসেছে।
