৬৬/৩৫. অধ্যায়ঃ

কুরআন তিলাওয়াতকালে ক্রন্দন করা।

অন্যের মুখে কুরআন শুনা: নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পছন্দের একটি সুন্দর আমল

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০৫৬

قَيْسُ بْنُ حَفْصٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيْمَ عَنْ عَبِيْدَةَ السَّلْمَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ قَالَ قَالَ لِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اقْرَأْ عَلَيَّ قُلْتُ أَقْرَأُ عَلَيْكَ وَعَلَيْكَ أُنْزِلَ قَالَ إِنِّيْ أُحِبُّ أَنْ أَسْمَعَهُ مِنْ غَيْرِي.

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) আমাকে বললেন, আমার কাছে কুরআন পাঠ করো। আমি বললাম, আমি আপনার নিকট কুরআন পাঠ করব, অথচ আপনারই উপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বললেন, আমি অন্যের তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করি।

আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৮৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮৭

সহিহ বুখারী হাদিস ৫০৫৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-কে বলেন, তাঁর কাছে কুরআন পাঠ করতে। আবদুল্লাহ (রাঃ) বিনয়ের সঙ্গে বলেন, আমি আপনার কাছে কুরআন পড়ব, অথচ আপনার ওপরই কুরআন নাজিল হয়েছে? নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, তিনি অন্যের তিলাওয়াত শুনতে ভালোবাসেন। বর্ণনাটি ছোট হলেও কুরআন শুনার গুরুত্ব পরিষ্কার করে। একজন মুসলিম নিজে তিলাওয়াত করবে, আবার অন্যের তিলাওয়াতও মন দিয়ে শুনতে পারে। এতে মনোযোগ বাড়ে, আয়াত নতুনভাবে অনুভব করা যায় এবং পাঠকের কণ্ঠে কুরআনের অর্থ হৃদয়ে পৌঁছাতে পারে। এখানে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিনয়ও দেখা যায়। তিনি যাঁর ওপর কুরআন নাজিল হয়েছে, তিনিই সাহাবির পাঠ শুনতে চেয়েছেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অন্যের তিলাওয়াত শুনা কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে সাহায্য করে।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আচরণে বিনয় ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে।
  • কুরআন শেখা ও অনুভব করার জন্য শ্রবণও একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন