৬৬/২১. অধ্যায়ঃ
তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি উত্তম, যে নিজে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায়।
কুরআন শেখা ও শেখানো: মুসলিম জীবনের সুন্দর আমল
সহীহ বুখারী : ৫০২৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫০২৮
أَبُوْ نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ عَنْ أَبِيْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ أَفْضَلَكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ
‘উসমান ইব্নু আফ্ফান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম তারা, যারা নিজেরা কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।
আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৫৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫৮
সহীহ বুখারী হাদিস ৫০২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম তারা, যারা নিজেরা কুরআন শেখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। হাদিসটি কুরআন শিক্ষার দুটো দিককে একসঙ্গে ধরে: শেখা এবং শেখানো। শুধু নিজে জানলেই দায়িত্ব শেষ নয়; সুযোগ থাকলে অন্যকেও উপকার করা দরকার। আবার অন্যকে শেখানোর আগে নিজে শেখাও জরুরি। এই ভারসাম্যই হাদিসের সৌন্দর্য। কুরআন শেখা মানে আল্লাহর কিতাবের শব্দ, পাঠ ও নির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা। আর কুরআন শেখানো মানে সেই সম্পর্কের পথে অন্যকে সহায়তা করা। হাদিসে যেটুকু বলা হয়েছে, সেটাই যথেষ্ট শক্তিশালী শিক্ষা: কুরআনের সঙ্গে যুক্ত মানুষ প্রশংসিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন শেখা এবং শেখানো—দুটোই হাদিসে একসঙ্গে এসেছে।
- জ্ঞান লাভের সঙ্গে অন্যকে উপকার করার মানসিকতা থাকা ভালো।
- কুরআন শিক্ষার কাজকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থী—দুজনের কাজই কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার অংশ।
