৬৫/৩৭২. অধ্যায়ঃ
পরিচ্ছেদ নাই।
কুরআন পাঠের ফজিলত: হাফেজ ও কষ্ট করে পাঠকারীর মর্যাদা
সহীহ বুখারী : ৪৯৩৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৯৩৭
آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ سَمِعْتُ زُرَارَةَ بْنَ أَوْفَى يُحَدِّثُ عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَثَلُ الَّذِيْ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ حَافِظٌ لَهُ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ وَمَثَلُ الَّذِيْ يَقْرَأُ وَهُوَ يَتَعَاهَدُهُ وَهُوَ عَلَيْهِ شَدِيْدٌ فَلَهُ أَجْرَانِ.
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন, কুরআনের হাফেজ পাঠক সম্মানিত লিপিকর ফেরেশতাদের মত। খুব কষ্টদায়ক হওয়া সত্ত্বেও যে বারবার কুরআন মাজিদ পাঠ করে, সে দ্বিগুণ পুরস্কার পাবে।
[মুসলিম ৬/৩৮, হাঃ ৭৯৮, আহমাদ ২৪৭২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৬৮,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৭৩)
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৯৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরআন পাঠকারীর মর্যাদা খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, যে ব্যক্তি কুরআন পড়ে এবং তা মুখস্থ রাখে, সে সম্মানিত নেক লিপিকর ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কুরআন পড়ে, বারবার চেষ্টা করে, কিন্তু তার জন্য তা কঠিন হয়, তার জন্য দুই পুরস্কার আছে। এখানে কুরআন পাঠের ফজিলত যেমন আছে, তেমনি কষ্ট করে শেখার মানুষদের জন্য বড় আশা আছে। কেউ সহজে পড়তে পারে, কেউ কষ্ট করে পড়ে—দুই অবস্থার কথাই হাদিসে এসেছে। তাই কুরআন শেখার পথে দুর্বলতা দেখে হতাশ হওয়া উচিত নয়। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী পুরস্কারের কথা বলা হবে, অতিরিক্ত দাবি করা হবে না। নিয়মিত চেষ্টা, পুনরাবৃত্তি এবং ভালোভাবে পড়ার আগ্রহ এখানে মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআন মুখস্থ রেখে পাঠকারী সম্মানিত ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে।
- যার জন্য কুরআন পড়া কঠিন, সে বারবার চেষ্টা করলে দ্বিগুণ পুরস্কার পাবে।
- কুরআন শেখার কষ্ট মূল্যহীন নয়।
- নিয়মিত পড়া ও ধরে রাখার চেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ।
