৬৫/১৮৭. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ এমনকি যখন রাসূলগণ নিরাশ হয়ে গেলেন। (সূরা ইউসুফ ১২/১১০)
كُذِّبُوا পাঠ: রাসূলদের সম্পর্কে সঠিক বিশ্বাস
সহিহ বুখারী : ৪৬৯৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৬৯৬
أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عُرْوَةُ فَقُلْتُ لَعَلَّهَا كُذِبُوْا مُخَفَّفَةً قَالَتْ مَعَاذَ اللهِ نَحْوَهُ
‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম সম্ভবত كُذِبُوْا (তাখফীফ সহ)। তিনি বললেন, মা‘আযাল্লাহ! ঐরূপ (كُذِّبُوْا)।
[৩৩৮৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৩৫,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৩৫)
সহিহ বুখারী হাদিস ৪৬৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার সংক্ষিপ্ত রূপ। বর্ণনাকারী আয়িশা (রাঃ)-কে বলেন, সম্ভবত শব্দটি كُذِبُوا তাখফীফসহ হবে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, মা‘আযাল্লাহ! অর্থাৎ তিনি এ ধারণা প্রত্যাখ্যান করেন এবং আগের ব্যাখ্যার মতো كُذِّبُوا পাঠের দিকেই ইঙ্গিত করেন। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, কুরআনের পাঠ ও অর্থ বুঝতে সতর্ক থাকা। রাসূলদের ব্যাপারে এমন অর্থ করা যাবে না, যাতে তাঁদের আল্লাহ সম্পর্কে ভুল ধারণার কথা বোঝায়। তাই কিরাআত, আয়াতের ব্যাখ্যা, সাহাবী তাফসীর এবং নবীদের মর্যাদা—এসব বিষয় এখানে প্রধান। ছোট বর্ণনা হলেও এটি বিশ্বাস ও তাফসীরের ক্ষেত্রে সতর্কতা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের পাঠের সূক্ষ্ম পার্থক্য অর্থে প্রভাব ফেলতে পারে।
- রাসূলদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি করে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।
- আয়িশা (রাঃ)-এর ব্যাখ্যা আয়াত বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
