৬৫/১৬১. অধ্যায়ঃ

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ {ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُوْلُ لِصَاحِبِهٰ لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللهَ مَعَنَا}

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৬৬৫

عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنِيْ يَحْيَى بْنُ مَعِيْنٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ ابْنُ أَبِيْ مُلَيْكَةَ وَكَانَ بَيْنَهُمَا شَيْءٌ فَغَدَوْتُ عَلَى ابْنِ عَبَّاسٍ فَقُلْتُ أَتُرِيْدُ أَنْ تُقَاتِلَ ابْنَ الزُّبَيْرِ فَتُحِلَّ حَرَمَ اللهِ فَقَالَ مَعَاذَ اللهِ إِنَّ اللهَ كَتَبَ ابْنَ الزُّبَيْرِ وَبَنِيْ أُمَيَّةَ مُحِلِّيْنَ وَإِنِّيْ وَاللهِ لَا أُحِلُّهُ أَبَدًا قَالَ قَالَ النَّاسُ بَايِعْ لِابْنِ الزُّبَيْرِ فَقُلْتُ وَأَيْنَ بِهَذَا الْأَمْرِ عَنْهُ أَمَّا أَبُوْهُ فَحَوَارِيُّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُرِيْدُ الزُّبَيْرَ وَأَمَّا جَدُّهُ فَصَاحِبُ الْغَارِ يُرِيْدُ أَبَا بَكْرٍ وَأُمُّهُ فَذَاتُ النِّطَاقِ يُرِيْدُ أَسْمَاءَ وَأَمَّا خَالَتُهُ فَأُمُّ الْمُؤْمِنِيْنَ يُرِيْدُ عَائِشَةَ وَأَمَّا عَمَّتُهُ فَزَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُرِيْدُ خَدِيْجَةَ وَأَمَّا عَمَّةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَجَدَّتُهُ يُرِيْدُ صَفِيَّةَ ثُمَّ عَفِيْفٌ فِي الإِسْلَامِ قَارِئٌ لِلْقُرْآنِ وَاللهِ إِنْ وَصَلُوْنِيْ وَصَلُوْنِيْ مِنْ قَرِيْبٍ وَإِنْ رَبُّوْنِيْ رَبُّوْنِيْ أَكْفَاءٌ كِرَامٌ فَآثَرَ التُّوَيْتَاتِ وَالْأُسَامَاتِ وَالْحُمَيْدَاتِ يُرِيْدُ أَبْطُنًا مِنْ بَنِيْ أَسَدٍ بَنِيْ تُوَيْتٍ وَبَنِيْ أُسَامَةَ وَبَنِيْ أَسَدٍ إِنَّ ابْنَ أَبِي الْعَاصِ بَرَزَ يَمْشِي الْقُدَمِيَّةَ يَعْنِيْ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ مَرْوَانَ وَإِنَّهُ لَوَّى ذَنَبَهُ يَعْنِي ابْنَ الزُّبَيْرِ.

ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহ.) হতে বর্ণিতঃ

যখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) ও ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর মধ্যে বায়াত নিয়ে মতভেদ সৃষ্টি হল, তখন আমি ইবনু আব্বাসের কাছে গিয়ে বললাম, আপনি কি আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা হালাল করে ইবনু যুবাইরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান? তখন তিনি বললেন, “আল্লাহর কাছে পানাহ চাচ্ছি, এ কাজ তো ইবনু যুবাইর ও বানী উমাইয়ার জন্যই আল্লাহ লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আল্লাহর কসম! কখনও তা আমি হালাল মনে করব না।”(আবু মুলাইকা বলেন) তখন লোকজন ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, “আপনি ইবনু যুবাইরের পক্ষে বায়াত গ্রহণ করুন।” তখন ইবনু আব্বাস বললেন, “তাতে ক্ষতির কী আছে? তিনি এটার জন্য যোগ্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা যুবাইর তো নবী (ﷺ)-এর সাহায্যকারী ছিলেন, তার নানা আবু বকর (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর সাওর গুহার সঙ্গী ছিলেন। তার মা আস্মা, যার উপাধি ছিল জাতুন নেতাক। তার খালা আয়েশা (রাঃ) উম্মুল মু’মিনীন ছিলেন, তার ফুফু খাদিজা (রাঃ) রসূল (ﷺ)-এর স্ত্রী ছিলেন, আর রসূল (ﷺ)-এর ফুফু সাফিয়া ছিলেন তাঁর দাদী। এ ব্যতীত তিনি (ইবনু যুবাইর) তো ইসলামী জগতে নিষ্কলুষ ব্যক্তি ও কুরআনের কারি। আল্লাহর কসম! যদি তারা (বানী উমাইয়া) আমার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে তবে তারা আমার নিকটাত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখল। আর যদি তারা আমাদের রক্ষণাবেক্ষণ করে তবে তারা সমকক্ষ মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিরই রক্ষণাবেক্ষণ করল। ইবনু যুবাইর, বানী আসাদ, বানী তুয়াইত, বানী উসামা এসব গোত্রকে আমার চেয়ে নিকটতম করে নিয়েছেন। নিশ্চয়ই আবি আল আস-এর পুত্র অর্থাৎ আব্দুল মালিক ইবনু মারওয়ান অহঙ্কারী চালচলন আরম্ভ করেছে। নিশ্চয়ই তিনি অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) তার লেজ গুটিয়ে নিয়েছেন।

[৪৬৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩০৪,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩০৫)

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন