৬৫/১২৩. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর বাণীঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য নির্ণায়ক শর-এসব নোংরা-অপবিত্র, শয়তানের কাজ ব্যতীত আর কিছু নয়। সুতরাং তোমরা এসব থেকে বেঁচে থাক যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৯০)
মদ নিষিদ্ধ হওয়া: মদিনার পানীয় নিয়ে হাদিসের তথ্য
সহীহ বুখারী : ৪৬১৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৬১৬
إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيْزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيْزِ قَالَ حَدَّثَنِيْ نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ نَزَلَ تَحْرِيْمُ الْخَمْرِ وَإِنَّ فِي الْمَدِيْنَةِ يَوْمَئِذٍ لَخَمْسَةَ أَشْرِبَةٍ مَا فِيْهَا شَرَابُ الْعِنَبِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মদ নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান যখন নাজিল হল, তখন মদিনায় পাঁচ প্রকারের মদের রেওয়াজ ছিল, আঙ্গুরের পানিগুলো এর মধ্যে গণ্য ছিল না।
[৫৫৭৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৫৫,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪২৫৮)
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৬১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, মদ নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান যখন নাযিল হলো, তখন মদিনায় পাঁচ ধরনের মদের প্রচলন ছিল; আঙ্গুরের পানীয় সেগুলোর মধ্যে ছিল না। এখানে কোর টপিক হলো মদ নিষিদ্ধ। হাদিসটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়: মদ শুধু আঙ্গুর থেকে তৈরি পানীয়ের নাম নয়। সে সময় মদিনায় ভিন্ন ভিন্ন উপাদান থেকেও নেশাজাত পানীয় ছিল। তবে এই বর্ণনায় পাঁচ প্রকারের নাম বিস্তারিত আসেনি; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত নাম জুড়ে দেওয়া ঠিক হবে না। মূল শিক্ষা হলো, মদ হারাম হওয়ার বিধান আসার সময় সমাজে নানা ধরনের নেশাজাত পানীয় ছিল। ইসলামে মদ নিষিদ্ধ, নেশা থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর বিধান মানা—এসব বিষয়ে এই হাদিস দৃষ্টি দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মদ নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান নাযিল হয়েছে।
- মদ শুধু আঙ্গুরের পানীয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।
- মদিনায় তখন বিভিন্ন ধরনের নেশাজাত পানীয় প্রচলিত ছিল।
- আল্লাহর বিধান এলে সেটাকে গুরুত্ব দিয়ে মানতে হয়।
