৬৪/৪৯. অধ্যায়ঃ
মাক্কা বিজয়ের দিনে নবী (ﷺ) কোথায় ঝাণ্ডা স্থাপন করেছিলেন
বনী কিনানার খাইফ: হুনাইনের পথে নবী صلى الله عليه وسلم-এর অবস্থান পরিকল্পনা
সহীহ বুখারী : ৪২৮৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪২৮৫
مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ بْنُ سَعْدٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ عَنْ أَبِيْ سَلَمَةَ عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حِيْنَ أَرَادَ حُنَيْنًا مَنْزِلُنَا غَدًا إِنْ شَاءَ اللهُ بِخَيْفِ بَنِيْ كِنَانَةَ حَيْثُ تَقَاسَمُوْا عَلَى الْكُفْرِ.
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) হুনাইনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে বললেন, বনী কিনানার খায়ফ নামক স্থানই হবে আমাদের আগামীকালের অবস্থানস্থল, যেখানে কাফিররা কুফরের উপর পরস্পরের শপথ গ্রহণ করেছিল।
[১৫৮৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৪৯,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৫৩)
সহীহ বুখারী হাদিস ৪২৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বনী কিনানার খাইফ। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم হুনাইনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে বলেন, আগামীকাল আমাদের অবস্থান হবে বনী কিনানার খাইফে; সেখানে কাফিররা কুফরের উপর পরস্পর শপথ করেছিল। হাদিসে সফরের একটি নির্দিষ্ট সময়, একটি নির্দিষ্ট স্থান এবং সেই স্থানের একটি পুরোনো ঘটনা উল্লেখ হয়েছে। এখানে নবী صلى الله عليه وسلم-এর ভাষায় ইনশাআল্লাহ শব্দও এসেছে, যা পরিকল্পনাকে আল্লাহর ইচ্ছার সঙ্গে যুক্ত করে। এই হাদিসকে মক্কা বিজয়-পরবর্তী ঘটনার ধারায় পড়লে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ সফরেও স্থান নির্বাচন ও ভাষার সংযম দুটোই গুরুত্ব পেয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم সফরের সময় অবস্থানস্থল সম্পর্কে সাহাবীদের জানিয়েছেন।
- ইনশাআল্লাহ বলে পরিকল্পনাকে আল্লাহর ইচ্ছার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- বনী কিনানার খাইফ একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কারণে উল্লেখযোগ্য হয়েছে।
- হাদিসে হুনাইনের পথে অবস্থান পরিকল্পনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এসেছে।
