৬৪/৩২. অধ্যায়ঃ
যাতুর রিকা যুদ্ধ
وَهِيَ غَزْوَةُ مُحَارِبِ خَصَفَةَ مِنْ بَنِي ثَعْلَبَةَ مِنْ غَطَفَانَ فَنَزَلَ نَخْلًا وَهِيَ بَعْدَ خَيْبَرَ لِأَنَّ أَبَا مُوسَى جَاءَ بَعْدَ خَيْبَرَ.গাতফানের শাখা গোত্র বনূ সালাবার অন্তর্ভুক্ত খাসাফার বংশধর মুহারিব গোত্রের সঙ্গে এ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাখলা নামক স্থানে অবতরণ করেছিলেন। খায়বার যুদ্ধের পর এ যুদ্ধ হয়েছিল। কেননা আবূ মূসা (রা.) খায়বার যুদ্ধের পর (হাবশা থেকে) এসেছিলেন।"
মুহারিব ও সালাবা অভিযানে সালাতুল খাওফের শিক্ষা
সহিহ বুখারী : ৪১২৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪১২৬
وَقَالَ بَكْرُ بْنُ سَوَادَةَ حَدَّثَنِيْ زِيَادُ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَبِيْ مُوْسَى أَنَّ جَابِرًا حَدَّثَهُمْ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِهِمْ يَوْمَ مُحَارِبٍ وَثَعْلَبَةَ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুহারিব ও সালাবা গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় নবী (ﷺ) সাহাবীদের সঙ্গে নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন।
[৪১২৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
সহিহ বুখারী হাদিস ৪১২৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবু মূসা (রাঃ)-এর সূত্রে এসেছে যে, মুহারিব ও সালাবা গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময় নবী صلى الله عليه وسلم সাহাবীদের সঙ্গে নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন। এখানে সালাতের ধাপগুলো বলা হয়নি; শুধু ঘটনাটি জানানো হয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল বার্তা হলো, বিপদ বা শত্রুর আশঙ্কা থাকলেও মুসলিমদের সালাতের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকে। সালাতুল খাওফ এমন এক ইবাদত, যেখানে সতর্কতা ও ইবাদত একসঙ্গে চলে। এতে বোঝা যায়, ইসলাম বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন নয়; বরং বিপদের সময়ও আল্লাহর স্মরণ এবং দলগত শৃঙ্খলা ধরে রাখার পথ দেখায়। হাদিসটি মুহারিব, সালাবা এবং যাতুর রিকা-সংক্রান্ত বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে পড়লে যুদ্ধকালীন নামাজের গুরুত্ব আরও পরিষ্কার হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভয় বা বিপদের অবস্থাতেও সালাতের গুরুত্ব বজায় থাকে।
- সাহাবীরা নিরাপত্তা ও সালাত—দুই দিকই একসঙ্গে সামলেছেন।
- নবী صلى الله عليه وسلم বাস্তব অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে জামাআতের ব্যবস্থা করেছেন।
- শত্রুর মুখোমুখি অবস্থায়ও কাতার ও শৃঙ্খলার গুরুত্ব দেখা যায়।
