৮/৩০. অধ্যায়ঃ
মহান আল্লাহর বাণী: মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর। (সূরা আল-বাকারা ২/১২৫)
সাফা-মারওয়ার সাঈ আগে: উমরার সংযমের শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৩৯৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৯৬
وَسَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ لاَ يَقْرَبَنَّهَا حَتَّى يَطُوفَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ.
জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি বলেছেনঃ সাফা-মারওয়ার সাঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী (সহবাস) হবে না।
আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮১ শেষাংশ, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৭ শেষাংশ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৯৬-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সাঈ ও সংযম। এই বর্ণনায় জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে একই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সাফা-মারওয়ার সাঈ করার আগ পর্যন্ত স্ত্রীর নিকটবর্তী হবে না। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাও সীমিত থাকা উচিত। এখানে সরাসরি বিষয় হলো ‘সাফা-মারওয়ার সাঈ’, ‘উমরার কাজ সম্পন্ন করা’ এবং ‘সাঈর আগে সহবাস নয়’। এটি দেখায়, তাওয়াফ করলেও সাঈ বাকি থাকলে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকার কথা এসেছে। বর্ণনায় অন্য কোনো দীর্ঘ নিয়ম বা অতিরিক্ত শর্ত নেই। তাই মূল শিক্ষা হলো, ইবাদতের ধাপ শেষ হওয়ার আগে তাড়াহুড়া না করা এবং জিজ্ঞেস করা বিষয়ের উত্তরকে গুরুত্ব দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাফা-মারওয়ার সাঈ করার আগে স্ত্রীর নিকটবর্তী না হওয়ার কথা এসেছে।
- উমরার ধাপ সম্পন্ন করার আগে সংযম রাখার শিক্ষা দেখা যায়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিসে যে বিষয় এসেছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমায় রাখা দরকার।
- ধর্মীয় প্রশ্নে সাহাবিদের কাছে জিজ্ঞেস করার চর্চা দেখা যায়।
