৬১/২. অধ্যায়ঃ
কুরাইশদের মর্যাদা ও গুণাবলী
সহিহ বুখারী : ৩৫০৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৫০৫
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو الأَسْوَدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الزُّبَيْرِ أَحَبَّ البَشَرِ إِلَى عَائِشَةَ بَعْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبِي بَكْرٍ، وَكَانَ أَبَرَّ النَّاسِ بِهَا، وَكَانَتْ لاَ تُمْسِكُ شَيْئًا مِمَّا جَاءَهَا مِنْ رِزْقِ اللَّهِ إِلَّا تَصَدَّقَتْ، فَقَالَ ابْنُ الزُّبَيْرِ: يَنْبَغِي أَنْ يُؤْخَذَ عَلَى يَدَيْهَا، فَقَالَتْ: «أَيُؤْخَذُ عَلَى يَدَيَّ، عَلَيَّ نَذْرٌ إِنْ كَلَّمْتُهُ»، فَاسْتَشْفَعَ إِلَيْهَا بِرِجَالٍ مِنْ قُرَيْشٍ، وَبِأَخْوَالِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَاصَّةً فَامْتَنَعَتْ، فَقَالَ لَهُ الزُّهْرِيُّونَ أَخْوَالُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، مِنْهُمْ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ بْنِ عَبْدِ يَغُوثَ، وَالمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ: إِذَا اسْتَأْذَنَّا فَاقْتَحِمُ الحِجَابَ، فَفَعَلَ فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا بِعَشْرِ رِقَابٍ فَأَعْتَقَتْهُمْ، ثُمَّ لَمْ تَزَلْ تُعْتِقُهُمْ حَتَّى بَلَغَتْ أَرْبَعِينَ، فَقَالَتْ: «وَدِدْتُ أَنِّي جَعَلْتُ حِينَ حَلَفْتُ عَمَلًا أَعْمَلُهُ فَأَفْرُغُ مِنْهُ»
‘উরওয়া ইব্ন যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ) নবী (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ)-এর পর আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট সকল লোকদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয়পাত্র ছিলেন এবং তিনি সকল লোকদের মধ্যে আয়িশা (রাঃ)-এর প্রতি সবচেয়ে অধিক সদাচারী ছিলেন। আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট আল্লাহর পক্ষ হতে রিজিক হিসেবে যা কিছু আসত, তা জমা না রেখে সদকা করে দিতেন।এতে আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ) বললেন, অধিক দান খয়রাত করা হতে তাঁকে বারণ করা উচিত। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, “আমাকে দান করা হতে বারণ করা হবে? আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তাহলে আমাকে কাফ্ফারা দিতে হবে।”আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রাঃ) তাঁর নিকট কুরাইশের কিছু লোক, বিশেষভাবে নবী (ﷺ)-এর মাতৃবংশের কিছু লোক দ্বারা সুপারিশ করালেন। তবুও তিনি তাঁর সঙ্গে কথা বলা হতে বিরত থাকলেন।নবী (ﷺ)-এর মাতৃবংশ বনি যুহরার কতক বিশিষ্ট লোক যাদের মধ্যে আবদুর রহমান ইবনে আসওয়াদ এবং মিসওয়ার ইবনে মাখরামা (রাঃ) ছিলেন, তাঁরা বললেন, “আমরা যখন আয়িশা (রাঃ)-এর গৃহে প্রবেশের অনুমতি চাইব, তখন তুমি পর্দার ভিতরে ঢুকে পড়বে।” তিনি তাই করলেন।পরে ইবনে যুবাইর (রাঃ) কাফ্ফারা আদায়ের জন্য তাঁর নিকট দশটি ক্রীতদাস পাঠিয়ে দিলেন। আয়িশা (রাঃ) তাঁদের সবাইকে আজাদ করে দিলেন। অতঃপর তিনি বরাবর আজাদ করতে থাকলেন। এমন কি তা সংখ্যা চল্লিশে পৌঁছল।আয়িশা (রাঃ) বললেন, “আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি, তখন এরাদা থাকে যে আমি যেন সে কাজটা করে দায়িত্ব মুক্ত হয়ে যাই” এবং তিনি আরও বলেন, “আমি যখন কোন কাজ করার কসম করি তা যথাযথ পূরণের ইচ্ছা রাখি।”
