৬০/৩৭. অধ্যায়ঃ
মহান আল্লাহর বাণী: আমি দাউদকে যাবুর দিয়েছি। (বনী ইসরাঈল ৫৫)
الزُّبُرُ الْكُتُبُ وَاحِدُهَا زَبُورٌ زَبَرْتُ كَتَبْتُ ﴿وَلَقَدْ آتَيْنَا دَاوُدَ مِنَّا فَضْلًا يُجِبَالُ أَوِّبِي مَعَهُ وَالطَّيْرَ ط وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ أَنِ اعْمَلْ سَابِغَاتٍ وَقَدِّرْ فِي السَّرْدِ﴾ (سبا: ١٠-١١) قَالَ مُجَاهِدٌ ﴿سَبِّحِي مَعَهُ﴾ ﴿وَالطَّيْرَ وَأَلَنَّا لَهُ الْحَدِيدَ﴾ ﴿أَنِ اعْمَلْ سَابِغَاتٍ﴾ الدُّرُوعَ ﴿وَقَدِّرْ فِي السَّرْدِ﴾ الْمَسَامِيرَ وَالْحَلَقَ وَلَا يُدِقُّ الْمِسْمَارَ فَيَتَسَلْسَلَ وَلَا يُعَظِّمُ فَيَقْصِمَ . أَفْرِغْ : لَأنزِلَ. ﴿بَسْطَةً﴾ زِيادَة وفضلا. ﴿وَاعْمَلُوا صَالِحًا إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ﴾ (سبأ : ١٠-١١الزُّبُرُ কিতাবসমূহ। তার একবচনে زَبُورٌ আর زَبَرْتُ আমি লিখেছি। আর আমি আমার পক্ষ হতে দাউদকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলাম। হে পর্বত! তাঁর সঙ্গে মিলে আমার তাসবীহ পাঠ কর। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, তার সঙ্গে তাসবীহ পাঠ কর। سَابِغَاتٍ লৌহবর্মসমূহ। আর এ নির্দেশ আমি পাখী্কেও দিয়েছিলাম। আমি তাঁর জন্য লোহাকে নরম করে দিয়েছিলাম। তুমি লৌহবর্ম তৈরি করতে সঠিক পরিমাপের প্রতি লক্ষ্য রেখো। السَّرْدِ পেরেক ও কড়াসমূহ। পেরেক এমন ছোট করে তৈরি করো না যাতে তা ঢিলে হয়ে যায়। আর এতো বড় করো না যাতে বর্ম ভেঙ্গে যায়। أَفْرِغْ অর্থ-অবতীর্ণ করা। بَسْطَةً অর্থ-বেশী ও সমৃদ্ধ। “আর সৎকর্ম কর, নিশ্চয়ই তোমরা যা কর আমি তা দেখি।” (সাবা ১০-১১)"
সহিহ বুখারী : ৩৪১৯
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৪১৯
حَدَّثَنَا خَلاَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، حَدَّثَنَا حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَلَمْ أُنَبَّأْ أَنَّكَ تَقُومُ اللَّيْلَ وَتَصُومُ ". فَقُلْتُ نَعَمْ. فَقَالَ " فَإِنَّكَ إِذَا فَعَلْتَ ذَلِكَ هَجَمَتِ الْعَيْنُ وَنَفِهَتِ النَّفْسُ، صُمْ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ، فَذَلِكَ صَوْمُ الدَّهْرِ ـ أَوْ كَصَوْمِ الدَّهْرِ ". قُلْتُ إِنِّي أَجِدُ بِي ـ قَالَ مِسْعَرٌ يَعْنِي ـ قُوَّةً. قَالَ " فَصُمْ صَوْمَ دَاوُدَ ـ عَلَيْهِ السَّلاَمُ ـ وَكَانَ يَصُومُ يَوْمًا، وَيُفْطِرُ يَوْمًا، وَلاَ يَفِرُّ إِذَا لاَقَى ".
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আম্র ইব্নু ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমি কি জ্ঞাত হইনি যে, তুমি রাতভর ইবাদত এবং দিনভর সাওম পালন কর! আমি বললাম হ্যাঁ। তিনি বললেন, যদি তুমি এমন কর; তবে তোমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে যাবে এবং দেহ ক্লান্ত হয়ে যাবে। কাজেই প্রতিমাসে তিনদিন সাওম পালন কর। তাহলে তা সারা বছরের সাওমের সমতুল্য হয়ে যাবে। আমি বললাম, আমি আমার মধ্যে আরও অধিক পাই। মিসআর (রাঃ) বলেন, এখানে শক্তি বুঝানো হয়েছে। তখন আল্লাহর রসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আঃ)-এর নিয়মে সাওম পালন কর। তিনি একদিন সাওম পালন করতেন আর একদিন বিরত থাকতেন। আর শত্রুর মুখোমুখি হলে তিনি কখনও পালিয়ে যেতেন না।
