৬/১৭. অধ্যায়ঃ

হায়েযের গোসলে চুল খোলা।

হায়েজে উমরা ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার বিধান

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩১৭

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ خَرَجْنَا مُوَافِينَ لِهِلاَلِ ذِي الْحِجَّةِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُهِلَّ بِعُمْرَةٍ فَلْيُهْلِلْ، فَإِنِّي لَوْلاَ أَنِّي أَهْدَيْتُ لأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ ‏"‏‏.‏ فَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِعُمْرَةٍ، وَأَهَلَّ بَعْضُهُمْ بِحَجٍّ، وَكُنْتُ أَنَا مِمَّنْ أَهَلَّ بِعُمْرَةٍ، فَأَدْرَكَنِي يَوْمُ عَرَفَةَ وَأَنَا حَائِضٌ، فَشَكَوْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ دَعِي عُمْرَتَكِ، وَانْقُضِي رَأْسَكِ وَامْتَشِطِي، وَأَهِلِّي بِحَجٍّ ‏"‏‏.‏ فَفَعَلْتُ حَتَّى إِذَا كَانَ لَيْلَةُ الْحَصْبَةِ أَرْسَلَ مَعِي أَخِي عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرٍ، فَخَرَجْتُ إِلَى التَّنْعِيمِ، فَأَهْلَلْتُ بِعُمْرَةٍ مَكَانَ عُمْرَتِي‏.‏ قَالَ هِشَامٌ وَلَمْ يَكُنْ فِي شَىْءٍ مِنْ ذَلِكَ هَدْىٌ وَلاَ صَوْمٌ وَلاَ صَدَقَةٌ‏.‏

‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সময় নিকটবর্তী হলে বেরিয়ে পড়লাম। আল্লাহর রসূল (ﷺ) বললেন: যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে তা করতে পারে। কারণ, আমি সাথে কুরবানির পশু না আনলে উমরার ইহরামই বাঁধতাম।তারপর কেউ উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর কেউ হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। আমি ছিলাম উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে। আরাফার দিনে আমি ঋতুবতী ছিলাম। আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট আমার অসুবিধার কথা বললাম। তিনি বললেন: তোমার উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হজ্জের ইহরাম বাঁধ।আমি তাই করলাম। ‘হাসবা’ নামক স্থানে অবস্থানের রাতে নবী (ﷺ) আমার সাথে আমার ভাই আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ)-কে পাঠালেন। আমি তানঈমের দিকে বের হলাম। সেখানে পূর্বের উমরার পরিবর্তে ইহরাম বাঁধলাম।হিশাম (রহঃ) বলেন: এসব কারণে কোন দম (কুরবানী), সাওম বা সদকা দিতে হয়নি।

(২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৬,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩১১)

সহীহ বুখারী হাদিস ৩১৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, যিলহজ্জের চাঁদের কাছাকাছি সময় তাঁরা বের হন। কেউ উমরার ইহরাম বাঁধেন, কেউ হজ্জের। আয়িশা (রাঃ) উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে ছিলেন। আরাফার দিনে তিনি ঋতুবতী ছিলেন এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে নিজের অসুবিধা বলেন। রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেন, উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। পরে হাসবার রাতে তিনি আবদুর রহমান (রাঃ)-এর সঙ্গে তানঈমে গিয়ে পূর্বের উমরার পরিবর্তে উমরার ইহরাম বাঁধেন। শেষে হিশাম (রহঃ)-এর কথা এসেছে—এ কারণে দম, সাওম বা সদকা লাগেনি। হাদিসটি হায়েজে হজ্জ-উমরার বাস্তব নির্দেশনা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হায়েজের কারণে উমরা ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ এসেছে।
  • পরে তানঈম থেকে উমরার ইহরাম বাঁধার বর্ণনা আছে।
  • হিশাম (রহঃ)-এর বর্ণনায় দম, সাওম বা সদকা লাগেনি বলা হয়েছে।
  • হজ্জ-উমরায় অসুবিধা হলে জ্ঞানী নির্দেশনা অনুসরণ করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন