৬/১১. অধ্যায়ঃ
মুস্তাহাযা'র ইতিকাফ।
ইসতিহাযা অবস্থায় উম্মুল মুমিনীনের ইতিকাফ
সহীহ বুখারী : ৩১১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩১১
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ بَعْضَ، أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ اعْتَكَفَتْ وَهْىَ مُسْتَحَاضَةٌ.
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উম্মুল মুমিনীনদের একজন ইসতিহাযা অবস্থায় ইতিকাফ করেছিলেন।
(৩০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০০,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩০৫)
সহীহ বুখারী হাদিস ৩১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, উম্মুল মুমিনীনদের একজন ইসতিহাযা অবস্থায় ইতিকাফ করেছিলেন। এখানে কোনো দীর্ঘ বর্ণনা নেই, তবে মূল দিকটি পরিষ্কার—এটি হায়েজ নয়, ইসতিহাযা অবস্থার কথা। তাই ইসতিহাযা অবস্থায় ইতিকাফ সম্পর্কে আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে এই হাদিসটি মিল রেখে বোঝা যায়। হাদিসে সালাত, পাত্র বা স্রাবের বিস্তারিত এখানে নেই; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। যারা “ইসতিহাযা অবস্থায় ইতিকাফ” বা “মুস্তাহাযা নারী ইতিকাফ” খোঁজেন, তাদের জন্য এই সংক্ষিপ্ত হাদিস একটি মূল প্রমাণধর্মী বর্ণনা হিসেবে কাজ করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিহাযা অবস্থায় ইতিকাফের ঘটনা স্পষ্টভাবে এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও বিষয়টি হায়েজ নয়, ইসতিহাযা—এটা বোঝা জরুরি।
- ইবাদতের ক্ষেত্রে সঠিক অবস্থার নাম জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসের সীমার বাইরে বাড়তি দাবি না করা নিরাপদ।
