৫/২৭. অধ্যায়ঃ
জুনুবী উযু করে নিদ্রা যাবে।
জুনুব অবস্থায় ওযু করে ঘুমানোর বিধান
সহীহ বুখারী : ২৮৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৮৯
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ اسْتَفْتَى عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَيَنَامُ أَحَدُنَا وَهْوَ جُنُبٌ قَالَ " نَعَمْ، إِذَا تَوَضَّأَ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমাদের কেউ জুনুব অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, যদি ওজু করে নেয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জানাবাত অবস্থায় ঘুমানোর আগে ওযু। উমর (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে জানতে চান, কেউ জুনুব অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি না। নবী (صلى الله عليه وسلم) সংক্ষিপ্ত উত্তর দেন, হ্যাঁ, যদি সে ওযু করে নেয়। এই হাদিসটি খুব ব্যবহারিক। অনেক সময় রাতে গোসল ফরজ হয়, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে। তখন হাদিসে উল্লেখিত পথ হলো ওযু করে নেওয়া। এখানে গোসলের বদলে ওযু যথেষ্ট বলা হয়েছে ঘুমানোর জন্য, তবে জানাবাত দূর করতে ফরজ গোসলের প্রয়োজন আলাদা বিষয়। তাই হাদিসটি সহজতা, পরিচ্ছন্নতা এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুনুব অবস্থায় ঘুমানোর আগে ওযু করার নির্দেশ এসেছে।
- প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শিক্ষা পদ্ধতি।
- ঘুমানোর আগে পবিত্রতার একটি ধাপ হিসেবে ওযু গুরুত্ব পায়।
- জানাবাতের মাসআলায় অনুমান নয়, হাদিসের নির্দেশ মানতে হয়।
