৫৬/৪০. অধ্যায়ঃ
দুশমনের তথ্যানুসন্ধানী দলের ফজিলত।
যুবাইর রাঃ-এর সাহস: নবীজির বিশেষ সাহায্যকারীর মর্যাদা
সহীহ বুখারী : ২৮৪৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৮৪৬
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَنْ يَأْتِينِي بِخَبَرِ الْقَوْمِ يَوْمَ الأَحْزَابِ ". قَالَ الزُّبَيْرُ أَنَا. ثُمَّ قَالَ " مَنْ يَأْتِينِي بِخَبَرِ الْقَوْمِ ". قَالَ الزُّبَيْرُ أَنَا. فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ لِكُلِّ نَبِيٍّ حَوَارِيًّا، وَحَوَارِيَّ الزُّبَيْرُ ".
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
খন্দকের যুদ্ধের সময় আল্লাহর রসূল (ﷺ) বললেন, কে আমাকে শত্রু পক্ষের খবরাখবর এনে দিবে? যুবাইর (রাঃ) বললেন, আমি আনব। তিনি আবার বললেন, আমার শত্রু পক্ষের খবরাখবর কে এনে দিবে? যুবাইর (রাঃ) আবারও বললেন, আমি আনব। অতঃপর নবী (ﷺ) বললেন, প্রত্যেক নবীরই সাহায্যকারী থাকে আর আমার সাহায্যকারী যুবাইর।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৮৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে খন্দকের যুদ্ধের সময় যুবাইর (রাঃ)-এর সাহস ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার কথা এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) জিজ্ঞেস করলেন, কে শত্রু পক্ষের খবর এনে দেবে? যুবাইর (রাঃ) সঙ্গে সঙ্গে বললেন—আমি। নবী (صلى الله عليه وسلم) আবার একই প্রশ্ন করলেন, যুবাইর (রাঃ) আবারও নিজেকে প্রস্তুত করলেন। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, প্রত্যেক নবীরই সাহায্যকারী থাকে, আর তাঁর সাহায্যকারী যুবাইর। এখানে মূল বিষয় হলো প্রয়োজনের সময় সাহস নিয়ে এগিয়ে আসা। খবর সংগ্রহের কাজও তখন গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। যুবাইর (রাঃ)-এর এই প্রস্তুতি তাঁকে বিশেষ প্রশংসার যোগ্য করেছে। হাদিসটি দায়িত্ববোধ, সাহস এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ডাকে দ্রুত সাড়া দেওয়ার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের কাজে প্রয়োজন হলে সাহস নিয়ে এগিয়ে আসা প্রশংসিত।
- যুবাইর (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ডাকে দ্রুত সাড়া দিয়েছেন।
- কঠিন দায়িত্ব গ্রহণ করা সাহাবিদের বড় বৈশিষ্ট্য ছিল।
