৫৫/২৯. অধ্যায়ঃ
গরীব, ধনী এবং মেহমানের জন্য ওয়াকফ করা।
সম্পদ সদকা: অভাবী, আত্মীয় ও মেহমানের হক
সহিহ বুখারী : ২৭৭৩
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৭৭৩
حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ، رضى الله عنه وَجَدَ مَالاً بِخَيْبَرَ، فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ، قَالَ " إِنْ شِئْتَ تَصَدَّقْتَ بِهَا ". فَتَصَدَّقَ بِهَا فِي الْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَذِي الْقُرْبَى وَالضَّيْفِ.
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর (রাঃ) খায়বারে কিছু সম্পদ লাভ করেন এবং নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে তাঁকে অবহিত করেন। তিনি বললেন, “তুমি ইচ্ছা করলে সেটি সদকা করতে পার।” অতঃপর তিনি সেটি অভাবগ্রস্ত, মিসকিন, আত্মীয়-স্বজন ও মেহমানদের মধ্যে সদকা করে দিলেন।
সহিহ বুখারী হাদিস ২৭৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমর (রাঃ)-এর খায়বারে পাওয়া সম্পদের কথা এসেছে। তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে বিষয়টি জানান। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, ইচ্ছা করলে সেটি সদকা করতে পার। এরপর উমর (রাঃ) সেই সম্পদ অভাবগ্রস্ত, মিসকিন, আত্মীয়-স্বজন এবং মেহমানদের মধ্যে সদকা করেন। এই বর্ণনা সংক্ষিপ্ত হলেও দানের সুন্দর দিক তুলে ধরে। একজন মুমিন যখন ভালো সম্পদ পায়, তখন সে শুধু নিজের লাভের চিন্তা না করে আল্লাহর পথে ব্যয়ের পথও ভাবতে পারে। এখানে সদকার খাতও স্পষ্ট এসেছে—অভাবী, মিসকিন, আত্মীয় এবং মেহমান। সম্পদ সদকা হাদিস হিসেবে এটি আমাদের শেখায়, দান শুধু দূরের মানুষের জন্য নয়; কাছের আত্মীয় ও অতিথিরাও এর হকদার হতে পারেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ভালো সম্পদ পেলে আল্লাহর পথে ব্যয়ের চিন্তা করা উচিত।
- অভাবী ও মিসকিনদের জন্য সদকা গুরুত্বপূর্ণ।
- আত্মীয়-স্বজনের প্রয়োজনও সদকার খাতে আসতে পারে।
- মেহমানের প্রতি দায়িত্ববোধ ইসলামের সুন্দর শিক্ষা।
